বুধবার , ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি ও প্রকৃতি
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরীর খবর

৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস

প্রতিবেদক
বার্তা প্রবাহ
ডিসেম্বর ৬, ২০২৩ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

হাফিজুর রহমান লাভলু, শেরপুর : ৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস।১৯৭১ সালের এইদিনে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে মিত্রবাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধারা শেরপুর অঞ্চলকে শত্রু মুক্ত করে।

এদিন মিত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক প্রয়াত জগজিৎ সিং অরোরা হেলিকাপ্টারযোগে নেমে শেরপুর শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে এক সংবর্ধনা সভায় শেরপুরকে মুক্ত বলে ঘোষণা দেন। এসময় মুক্ত শেরপুরে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। এখানে দাড়িয়েই তিনি বিবিসি, ভয়েস অফ আমেরিকা, মস্কো, আকাশবাণীসহ বিভিন্ন বেতার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ঢাকা মুক্ত করার আশাবাদ ব্যাক্ত করেছিলেন।

এসময় মিত্র বাহিনীর প্রধানকে শেরপুরের বিশিষ্ট নাগরিক মোহাম্মদআলী মিয়া, ডাক্তার জামান, খন্দকার মজিবুর রহমান, মোজাম্মেল হক, পন্ডিত ফসিহুর রহমান প্রমূখ সংবর্ধনা দেয়।

স্বাধীনতা যুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাসে বর্তমান শেরপুর জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ৩০ থেকে ৪০টি খন্ডযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে। এসব যুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে ৫৯ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন।

পাক হানাদারদের নির্মমতার শিকার হয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে ১৮৭ জন, শেরপুর সদর উপজেলার সূর্যদী গ্রামে ৫২ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলার জগৎপুর গ্রামে ২০ জন মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হয়েছেন।
পাকবাহিনীরা প্রথমে শেরপুরে প্রবেশ করে বর্তমান শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার আহম্মদনগর উচ্চবিদ্যালয়ে তাদের ক্যাম্প স্থাপন করে তাদের নারকীয় গত্যাযজ্ঞ চালায়।

এছাড়া শেরপুর জেলা শহরের নয়আনী বাজার এলাকার তৎকালীন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও দানবীর বলে খ্যাত সুরেন্দ্র মোহন সাহার বাসা দখল করে নিয়ে স্থানীয় রাজাকার আলবদররা টর্চার সেল তৈরী করেন।

১১নং সেক্টরের আওতায় জামালপুরের কামালপুর ৪ ডিসেম্বর মুক্ত হওয়ার পর পাকহানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে পড়ে। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধারা মিত্রবাহিনীর সহায়তায় শেরপুরে পাকবাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে আক্রমণ চালান। কামালপুর দুর্গ দখল হওয়ার প্রায় ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পাকবাহিনীর সকল ক্যাম্প ধ্বংস হয়ে যায়।

৪ ডিসেম্বর কামালপুরের ১১ নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের মূহুর্মূহু আক্রমন ও গুলি বর্ষনের মুখে স্থানীয় পাকসেনারা পিছু হটে। ৫ ডিসেম্বর থেকে পাকসেনারা তল্পিতল্পা বেঁধে কামালপুর-বক্সিগঞ্জ থেকে শেরপুরের শ্রীবর্দী উপজেলা হয়ে শেরপুর শহর হয়ে জামালপুর অভিমুখে রওনা হয়।

অবশেষে পাকসেনারা ৬ ডিসেম্বর রাতের আধারে শেরপুর শহরের উপর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে জামালপুর পিটিআই ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। এরপর ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় শেরপুর।

স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য এ জেলায় ১ জন বীর বিক্রম ও ২ জন বীর প্রতিক খেতাব পেয়েছেন। এরা হলেন শহীদ মু’তাসিম বিল্লাহ খুররম (বীর বিক্রম), কমান্ডার জহুরুল হক মুন্সী (বীর প্রতিক) ও ডা: মাহমুদুর রহমান (বীর প্রতিক)। এছাড়া সোহাগপুরের বিধবাদের মধ্যে ৩০ জন পেয়েছেন বিরঙ্গনা স্বীকৃতি।

সর্বশেষ - নির্বাচনী হাওয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

কালীগঞ্জে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন রাজবাড়ীর মুহাম্মদ আলী

রায়গঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এস,এস,সি শিক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরন দোয়া অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুরের তারেক রহমান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে প্রশ্ন : নারী সাংবাদিক প্রিয়ার অপরাধ কি সত্য বলা?

ভারত-পাকিস্তান সংঘাত ‘আমাদের কোনও বিষয় নয়’ : যুক্তরাষ্ট্র

রোকেয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামী মঞ্জুর গ্রেফতার

বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

রিহ্যাব মেলায় জনপ্রিয়তায় ছিলো “টুইন টাওয়ার”

নালিতাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস পালন