মঙ্গলবার , ১৪ মে ২০২৪ | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি ও প্রকৃতি
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরীর খবর

কালাঘোষা নদীর উপর এডা সেতু অইলে আর কষ্ট করতে অইতো না

প্রতিবেদক
বার্তা প্রবাহ
মে ১৪, ২০২৪ ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ

ছবি ও সংবাদ >> হাফিজুর রহমান লাভলু, শেরপুর : যাতায়াতের এডা পথ পোলাপানগোরে কষ্ট আরো বেশি। কালাঘোষা নদীর উপর এডা সেতু অইলে এই কষ্ট করতে অইতো না।কথা গুলো বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের হালচাটি গ্রামের কৃষক আদিবাসী সুরেন্দ কোচ।

তিনি আরও বলেন, দেশ স্বাধীন অইলো। আমগোর গ্রামডা দুই ভাগ অইলো। অর্ধেক ভারতে। আর অর্ধেক আমরা বাংলাদেশে। ৫২ বছর অইলো। অহনও আমরা আগের মতোই। আমগোর দু:খ কেউ দেহেনা। এডা সেতুর লাইগা আমরা কত নেতা, মেম্বার চেয়ারম্যান গরে কইলাম। কেউ দিলোনা। এইডার লাইগা মেলা কষ্ট অয়।

তার প্রতিবেশী প্রেমানন্দ কোচ বলেন, ভোটের লাইগা অনেকে আয়ে। মেলা কতা কয়। সেতু দিবো। ভোট অইলে আর আয়েনা।

এই গ্রামেরই আদিবাসী নারী নাইবালী কোচ। তিনি বলেন, বেডা মানুষরা কাপর তুইলা যাইতে পারে। আমরাতো কাপর ভিজাইয়া যাই। এই সেতু অইলে আমগোর মেলা উপকার অইবো।

তিনি আরো বলেন, বর্ষাকালে মাঝে মধ্যেই জোয়ার আসে। নদীতে পানি ভইরা যায়। অহন চলাচল করতে পারিনা। কোনো মানুষ অসুখ অইলে চিকিৎসাও করাতে পারি না। ছেলে মেয়েরা পড়া লেহা করতে যাইতে পারে না। হাতির সমস্যাতো আছেই। এভাবেই আক্ষেপ করে ওই নারী আরো বলেন, আমরা কি সারাজীবন এভাবেই কষ্ট করমু?

রোববার (১২ মে ) বিকালে সরেজমিন গেলে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের লোকজনের কথা বলে ওঠে আসে এমন দুভোর্গের চিত্র।

গ্রামবাসীরা জানান, হালচাটি গ্রাম। এখানে প্রায় অর্ধশত পরিবারের বসবাস। প্রায় সবাই আদিবাসী। তবে কোচ সম্প্রদায়েরই পরিবারের সংখ্যাই বেশি। গ্রামটির উত্তরে ভারতের বারাংগাপাড়ার হালচাটি গ্রাম। স্বাধীনতার আগের একই গ্রাম ছিল। পরে সীমানা ভাগ হলে গ্রামটি ভাগ হয়ে যায়। গ্রামের মাঝ দিয়ে হয় কাটাতারের বেড়া। বিভক্ত হয়ে পড়ে গ্রামবাসীরা। ভারত থেকে এ গ্রামের মাঝ দিয়ে নেমে এসেছে কালাঘোষা নদী। শুকনো মৌসুমে এনদীতে থাকে হাটু পানি। বর্ষা এলে মাঝে মধ্যে আসে জোয়ার। পানিতে কানায় কানায় ভরে ওঠে নদী। কয়েকদিন বন্ধ থাকে হালচাটিসহ আশপাশের গ্রামবাসীদের চলাচল। চরম বিপাকে শতশত মানুষ। তাদের চলাচলের সড়কটিও দু’পায়ে পাহাড়ি পথ। চলেনা কোনো যানবাহন।

স্থানীয় এক শিক্ষক যুগল কিশোর কোচ বলেন, কেউ অসুস্থ্য হলে তাকে কাধেঁ করে নিতে হয় প্রায় এক কিলোমিটার। এর পর বর্ডার সড়ক। আমরা জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্ভোগের কথা বলি। কিন্তু শুধু প্রতিশ্রুতি দেন। বাস্তবায়ন হয় না। এখানে সেতু হলে হালচাটি গ্রামসহ আশপাশের গ্রামবাসীদের চলাচলে দুভোর্গের অবসান হবে। বদলে যাবে গ্রামবাসীদের জীবনমান।

এ ব্যাপারে উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নবেশ খকসী বলেন, আমরাতো কোনো বরাদ্দ পাইনা। চেয়ারম্যানরা উদ্যোগ নিলে ত্রাণের টাকায় সেতু করতে পারে। হালচাটি গ্রামবাসীসহ যাতায়াতকারীদের দুভোর্গের সত্যতা নিশ্চিত করে কাংশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর বলেন, বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই সেখানে সেতু নির্মাণ হবে। তিনি আরো বলেন, আমারতো সময় শেষ। সেখানে প্রশাসনের লোকজনসহ বিজিবির সদস্যরাও চলাচল করে। বর্ষা এলে চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়। কালাঘোষা নদীর ওপর সেতু হবে। এ স্বপ্ন হালচাটি গ্রামবাসীসহ যাতায়াতকারীদের। এতে বদলে যাবে গ্রামবাসীদের জীবনচিত্র।

সর্বশেষ - সারা দেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

দ্বাদশ সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা জিএম কাদের, উপনেতা আনিসুল ইসলাম

ঝিনাইদহে দূর্ঘটনায় স্কুল ছাএী ফাতেমা (১০) নিহত

যুক্তরাজ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

বায়ুদূষণে বিশ্বের ১০০ শহরের মধ্যে পাঁচ নম্বরে ঢাকা

গাজীপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বি ট্রাক নিয়ে রেজাউল করিম রাসেল

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে তুবা সমাজ কল্যাণ সোসাইটির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

জাজিরায় বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইন্জিনিয়ার তুহিনের পক্ষ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন

ঝিনাইদহে স্বপ্নচারু একাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী