মঙ্গলবার , ১৪ মে ২০২৪ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি ও প্রকৃতি
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরীর খবর

খালেদা জিয়ার নাইকো মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য ১১ জুন

প্রতিবেদক
বার্তা প্রবাহ
মে ১৪, ২০২৪ ৪:৫৫ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী হাজিরা দেন। এরপর জব্দ তালিকার সাক্ষী আব্দুল বাকীকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। তবে তার জেরা শেষ হয়নি। তাই তার অবশিষ্ট জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১১ জুন ধার্য করেছেন আদালত।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সদস্য জিয়া উদ্দিন জিয়া এ তথ্য জানান।

২০২৩ সালের ১৯ মার্চ এই মামলায় চার্জ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এরপর মামলার চার্জ গঠনের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। একই বছর ৩০ আগস্ট বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর থেকে মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মামলার বাদী মাহবুবুল আলম তার জবানবন্দি শেষ করেন। এরপর ১৭ অক্টোবর তাকে জেরা শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর ওই বছর ৩০ ও ৩১ অক্টোবর রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেন পুলিশের দুই সদস্য কেবিন দুগ্গান ও লয়েড শোয়েপ এই মামলায় সাক্ষ্য দেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- তৎকালীন মুখ্যসচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম। এদের মধ্য প্রথম তিনজন পলাতক রয়েছেন।

অপরদিকে আসামিদের মধ্যে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন ও বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান মারা যাওয়ায় তাদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়ার নামে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

দুদকের করা অপর দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। সেখান থেকে পরে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ই সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পান। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায়ই চিকিৎসাধীন।

সর্বশেষ - নির্বাচনী হাওয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া চূড়ান্ত, ৫ আগস্ট জাতির সামনে উপস্থাপন

ঝালকাঠিতে এমপি হারুন ও মনিরসহ ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল

গ্রাহকদের উন্নত সেবাই আমাদের লক্ষ্য- চেয়ারম্যান পেট্রোবাংলা

শাকিব খানও কাঁদলেন ‘প্রিয়তমা’ দেখে

পাক-অধিকৃত কাশ্মীরসহ ৯ স্থানে ভারতের হামলা

রাজশাহীতে মতিহার থানা পুলিশের জালে ৩ অপহরণকারী, আটক অপহৃত উদ্ধার

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কিকে ড. ইউনূসের অভিনন্দন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ব্যবসায়ীদের দাপট বাড়ছে : টিআইবি

উপজেলা নির্বাচনে কালীগঞ্জে আ’লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে, বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা

ঝালকাঠিতে অজ্ঞাত যুবককে কুপিয়ে হত্যা, বাগান থেকে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার