শনিবার , ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি ও প্রকৃতি
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরীর খবর

শ্রমিকের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগ হুপ-ইক (বাংলাদেশ) লিঃ এর বিরুদ্ধে

প্রতিবেদক
admin2
ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫ ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ

অপরাধ প্রতিবেদক : ঢাকা পুরাতন ইপিজেডে অবস্থিত হুপ-ইক (বাংলাদেশ) লিঃ শতভাগ রপ্তানীমুখী একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী। শত ভাগ বিদেশী মালিকানাধীন এই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা ও শ্রমিকদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। কিন্তু ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে কতিপয় দেশীয় ও বিদেশী কর্মকর্তারা বেপজারকে বৃদ্ধাংগুলি প্রদর্শন করে ফ্যাক্টরীর কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকদের পাওনাদি ব্যাপারে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ও বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন ২০০৯ লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরে শ্রমিক ছাঁটাই, আইনের কোন তোয়াক্কা না করে বেতন কমাইয়া পুনরায় নতুন তারিখে কাজে যোগদান সহ শ্রম আইন বিরোধী সব ধরনের কর্মকান্ড ধাপে ধাপে করে যাচ্ছে।

এই প্রতিবেদক জানতে পারে যে, ফ্যাক্টরীর শ্রমিক আইডি নং এইচ ওয়াই ০০৩৪৮০ মোঃ আবদুল মালেক তাহার বকেয়া পাওনা ২,৯৮, ৩৪৪ (দুই লক্ষ আটানব্বই হাজার তিনশত চৌচল্লিশ টাকা), আইডি নং এইচ এম ০০৯৮৫১ মোঃ শওকত হোসেন তাহার বকেয়া পাওনা ৬,৬৫,০০০/- (ছয় লক্ষ পঁয়চ্ছট্টি হাজার টাকা), আইডি নং এইচ ওয়াই ০০২৫৫৪ মোঃ শাহজাহান সওদাগর তাহার বকেয়া পাওনা ৪,৭০,০০০/- (চার লক্ষ সত্তর হাজার টাকা) বকেয়া পাওনা দীর্ঘ সাত বছর ধরে পায় নাই। পাওনা দাবীদার শ্রমিকরা বহুবার এইচ আর ম্যানেজার ও কারখানার জেনারেল ম্যানেজারের সাথে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে তাদের পাওনাদি পাবার জন্য মানবাধিকার সংগঠন গ্লোবাল কনজ্যুমার এন্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের শরণাপন্ন হয়। মানবাধিকার সংগঠনের কর্তা ব্যক্তিরা তাহাদের বক্তব্য শুনে বুঝতে পারেন যে, এটা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১২৩(১), ধারা ২ (৬৫) ও ২(৬৩), বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ ধারা ১২(১)(খ) এবং আইন সহায়তা আইন ২০০০ ধারা ১৩ ও ১৫ মোতাবেক পাওনাদি হকদার এবং আইনগত সকল সহযোগিতা প্রাপ্য বটে।

তাই গ্লোবাল কনজ্যুমার এন্ড হিউম্যান রাইটস ফোরাম গত ২০শে অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখে উক্ত শ্রমিকদের আইনগত পাওনাদি বুঝে দেবার জন্য একটি নোটিশ প্রেরণ করেন এবং তাহাদের প্রাপ্ত স্বীকার এ/ডি ও মানবাধিকার সংগঠনের হাতে পৌঁচেছে। এ ব্যাপারে হুপ-ইক (বাংলাদেশ) লিঃ কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করিলে গ্লোবাল কনজ্যুমার এন্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মনির হোসেন কাজী ফোনে ও ই-মেইলে হুপ-ইক (বাংলাদেশ) লিঃ এর কান্ট্রি হেড অফ ফিন্যান্স মি. পংকজ কুমার সরকারের সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করার পরও অদ্যবদি পর্যন্ত কোন ধরনের পাওনাদি পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহন করেন নাই।

এখানে উল্লেখ্য যে, উক্ত শ্রমিকগন বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৩০,৩৪ অনুযায়ী লেবার কোর্টে মামলা করতে পারে। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ মোতাবেক তামাদি পাওনাদির যৌক্তিক কারণ থাকলে কোর্ট পাওনাদির আবেদন গ্রহন করতে পারে। যাহাকে বলা হয় Delay condonation.

তাহাছাড়া ও বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ৩১ মোতাবেক শ্রমিকগন আইনি প্রতিকার পায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন আইন ও DLR নীতি মোতাবেক এই ধরনের কেইসে প্রতিকারের অধিকার রাখে এবং আইনে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। এই প্রতিবেদক পাওনা দাবীদার শ্রমিক মোঃ আবদুল মালেক, মোঃ শাহজাহান সওদাগর ও মোঃ শওকত হোসেনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন যে, এরা একেকজন ২১ বছর, ১৬ বছর ও ২৩ বছর ধরে কোম্পানীতে চাকুরী করেছে। তাহাদের বিশ্বাস, তাহাদের মালিক তাহাদের পাওনাদি কোনদিন মেরে খাবে না। শুধুমাত্র কতিপয় লোভী ও স্বার্থন্বেষী দেশী-বিদেশী কর্মকর্তা তাহাদের পাওনাদি মেরে খাবার পায়তারা করতেছে। শ্রমিকদের প্রফিডেন্ট ফান্ডের টাকা তাহার নিজের বেতন হইতে কর্তন করা হইয়াছে, এই টাকাপর্যন্ত কেন পরিশোধ করা হইবে না তা কোন মতেই বোধগম্য হচ্ছেনা। স্থানীয় সন্তান হিসাবে দীর্ঘ বছর ফ্যাক্টরীতে কাজ করায় এবং মালিকের প্রতি ভালবাসা থাকায় তাহারা এতদিন ধরে অপেক্ষা করেছিল এবং আইনগত ব্যবস্থা বা কোর্টে মামলা করিতে চাই নাই। এখনো তাহারা তাদের পাওনাদি পেলে কোন ধরনের মামলা মোকদ্দমায় যাইবে না বলে উল্লেখ করেন। তাহাদের বক্তব্য হইল হুপ-ইক ( বাংলাদেশ) লিঃ ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক নামী-দামী বায়ারের কাজ করে থাকেন এবং ঢাকা ইপিজেডের একটি শত ভাগ কমপ্লায়ন্স ফ্যাক্টরি হিসাবে পরিচিত। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থাপনা টিম ফ্যাক্টরীটিকে নন- কমপ্লায়ন্স ফ্যাক্টরিতে পরিণত করে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদক ফ্যাক্টরীর পিপল এন্ড কালচার ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী আহমদ এর মুঠো ফোনে কয়েকবার কল করার পরও কোন ধরনের রেসপন্স না পাওয়ায় তাহাদের মতামত নেওয়া যায় নাই।

দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধ না করায় শ্রমিক ও স্থানীয় জন সাধারণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরী হয়েছে যা যে কোন সময়ে বিক্ষোভে পরিনত হয়ে এলাকার আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে বলে স্থানীয় বিজ্ঞজনেরা আশংকা প্রকাশ করেন এবং অতিসত্ত্বর শ্রমিকদের বৈধ পাওনাদি পরিশোধ করিয়া মামলা মোকদ্দমার মত বিষয় এড়িয়ে সুষ্ঠু কর্ম পরিবেশ বজায় রাখার দাবী করেছে স্থানীয় সুধী মহল ও শ্রমিক সমাজ।

সর্বশেষ - সারা দেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের ব্যাপক সুনামে ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য

ঝিনাইদহের কালিগঞ্জে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

এগ্রি এন্ড ফার্মিং এ্যাওয়ার্ড পেল এসকেএস ফাউন্ডেশন

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইসরায়েলি নৃশংসতায় গাজায় আরও ৩৯ নিহত, ৩৫ হাজার ছুঁই ছুঁই প্রাণহানি

বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করতে চায় ভারত, ভাবছে সরকার

আইসিজে’র নির্দেশ অমান্য করে রাফায় ইসরায়েলের হামলা

পদ্মায় নিখোঁজ দুই এএসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার

এই গরমে সুন্দরীদের ত্বকের ঘরোয়া যত্ন!

পরিবেশ বিধ্বংসী নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব কালীগঞ্জ, হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ