রবিবার , ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি ও প্রকৃতি
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চট্টগ্রাম
  15. চাকরীর খবর

প্রেমের টানে মুন্সীগঞ্জের হিন্দু তরুণী শেরপুরে ;অত:পর বিয়ে

প্রতিবেদক
বার্তা প্রবাহ
জানুয়ারি ১৯, ২০২৫ ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

হাফিজুর রহমান লাভলু, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : প্রেমের টানে জীবন সঙ্গি করতে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে শেরপুরে মুন্সিগঞ্জের এক হিন্দু তরুণী।শুক্রবার (১৭জানুয়ারি) শেরপুরে আসা ২৭ বছর বয়সী ওই হিন্দু তরুণীর নাম বিভা রাজবংশী।সে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী কামারবাড়ি এলাকার হযরত আলীর ছেলে শিপনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কামারবাড়ি এলাকার হযরত আলীর ছেলে শিপনের ফেসবুকে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর গ্রামের শংকর রাজবংশীর মেয়ে বিভা রাজবংশীর সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। দু’জনের মধ্যে দেখা এবং অর্থ-লেনদেন হয় । সম্পর্কের প্রায় এক বছর গড়লে প্রেমের টানে মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর গ্রামের শংকর রাজবংশীর মেয়ে বিভা রাজবংশী ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কামারবাড়ি এলাকার হযরত আলী ছেলে শিপনের কাছে ছুটে আসেন। বিভা হিন্দু ধর্মের হওয়ায় ছেলের পরিবার মেনে না নিয়ে তাকে মারধর করে বাড়িতে চলে যেতে বলেন। বিভাকে অটোরিকশা করে নিয়ে যাওয়ার পথে ভাতশালা এলাকায় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা গ্রামের লোকজন টের পেয়ে স্থানীয় একটি বাড়িতে আটক করে । পরে এলাকাবাসী মেয়েকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন, ইউপি মেম্বার সহ স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে ৮ লাখ টাকা কাবিনে ও মেয়ের নামে জমি লিখে দেয়ার সম্মতিক্রমে তাদেরকে বিবাহ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

শেরপুর নোটারী পাবলিক কার্যালয়ের সম্মুখে স্বেচ্ছায় হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে বিভা রাজবংশী থেকে মরিয়ম নামে এভিডেভিড করে ইসলাম ধর্মগ্রহন করেন। পরে স্থানীয় কাজি অফিসে তাদের দুজনের বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।

বিভা রাজবংশী জানান, প্রায় বছরখানেক আগে ফেসবুকে শিপনের সাথে পরিচয় হয়। পরে আস্তে আস্তে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার সাথে। তাকে বিয়ে করতে আমি বাড়ি থেকে চলে এসেছি। আমরা বিয়ে করে সংসার করতে চাই।

শিপন আহমেদ জানান, আমাদের পরিচয় হয় ফেসবুকের মাধ্যমে। আমরা দুজনে দুজনকে পছন্দ করি। সে মুন্সীগঞ্জ থেকে আমার কাছে চলে এসেছে। আমি তাকে জীবন সঙ্গি হিসেবে মেনে নিয়েছি।

৭নং ভাতশালা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন বলেন, মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা তরুণীকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে এসে ইউনিয়ন পরিষদে সকলের উপস্থিতি ও মতামতের ভিত্তিতে ৮ লাখ টাকা কাবিন ও তার নামে জমি লিখে দেয়ার স্বীকারোক্তিতে তাদেরকে বিবাহ দেয়া হয়।

সর্বশেষ - সারা দেশ