সৌমিত্র সুমন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা দিয়েছে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। গভীর বঙ্গোপসাগর থেকে আহরণ করা সামুদ্রিক এক বিশেষ প্রজাতির স্কুইড (ইসকুইট) আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে উন্নতমানের এই সামুদ্রিক প্রাণী চীনে রপ্তানি শুরু হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।
জানা যায়, বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জেলেরা সংগ্রহ করছেন এই মূল্যবান সামুদ্রিক সম্পদ। উত্তাল ঢেউ পেরিয়ে ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে গিয়ে জেলেরা স্কুইড আহরণ করে মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসছেন। এখান থেকে উন্নতমান বজায় রেখে তা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মশিউর রহমান ভদ্র জানান, তার নিজস্ব গলি ও প্রসেসিং লাইনের মাধ্যমে নিয়ম মেনে স্কুইড সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও রপ্তানি করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্যাকেজিং ও হিমায়নের মাধ্যমে চীনে পাঠানো হচ্ছে এই সামুদ্রিক পণ্য।
তিনি আরও জানান, উন্নতমানের এই স্কুইড আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন। ফলে এর রপ্তানির মাধ্যমে ডলারে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মহিপুর মৎস্য বন্দরের মাধ্যমে গভীর সমুদ্রের এই সামুদ্রিক সম্পদ রপ্তানি শুধু স্থানীয় অর্থনীতিকেই চাঙ্গা করবে না, বরং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিকল্পিতভাবে আহরণ ও রপ্তানি বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি শক্তিশালী খাত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।



















