কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মালচিং পেপার ব্যবহার করে বিভিন্ন ফসল চাষের ফলাফল প্রদর্শনী ও প্রতিরূপায়ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে উপজেলার নাওভাঙ্গা গ্রামে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং হীড বাংলাদেশের আয়োজনে স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট (এগ্রিকালচার) প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হীড বাংলাদেশ পাখিমারা শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের মৎস্য কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন, সফল কৃষক জহিরুল ইসলাম, ইয়াকুব সিকদার ও সুলতান সিকদারসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন কৃষক-কৃষাণী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল করিম বলেন, চলতি মৌসুমে মালচিং পেপার ব্যবহার করে ফসল চাষে কৃষকরা উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছেন।
হীড বাংলাদেশের স্পেশাল প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্টের কৃষি কর্মকর্তা সোহেল সিকদার বলেন, মালচিং পেপার প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ কমেছে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি জানান, হীড বাংলাদেশের পরামর্শ অনুযায়ী এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষাবাদে এ বছর ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা গত বছরের তুলনায় বেশি লাভবান হবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বলেন, মালচিং পেপার প্রযুক্তি ব্যবহারে সেচের পানি কম লাগে, আগাছার বিস্তার হ্রাস পায়, রাসায়নিক সারের অপচয় রোধ হয় এবং মাটির আর্দ্রতা দীর্ঘসময় ধরে রাখা সম্ভব হয়। এছাড়া ফসলের ফলন বৃদ্ধি ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কমাতেও এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও বলেন, উন্নত ফলন নিশ্চিত করতে ফুল আসার আগে সলুবোর বোরন ও চিলেটেড জিংক প্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের শেষে সভাপতি আব্দুল করিম উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।



















