সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্কতা জরুরি

0
89

অনলাইন ডেস্ক : দেশে কভিড-১৯ সংক্রমণ হার এখন ১ শতাংশের ঘরে। স্বাভাবিকভাবে চলছে অফিস, আদালত, কল-কারখানা। খুলেছে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় ঢিলেঢালাভাব চলে এসেছে সব জায়গায়। এই অবহেলার সুযোগে করোনার তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, মাস্ক পরা এবং টিকা দেওয়ায় জোর দিয়েছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেছেন, করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুহার নিম্নমুখী। উঠে গেছে সব বিধিনিষেধ, স্বাভাবিকভাবে চলছে জীবনযাত্রা। এখন সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। গণপরিবহনে ভিড়, গাদাগাদি করা যাবে না। করোনা ঠেকাতে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।
জনস্বাস্থ্যবিদ এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেছেন, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় সবার মধ্যে ঢিলেঢালাভাব চলে এসেছে। এই অবহেলা ভাইরাসকে সুযোগ করে দিতে পারে। এ জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি দ্রুত টিকা নিশ্চিত করতে হবে। বয়স্ক ব্যক্তিদের টিকার আওতায় আনলে মৃত্যুহার নিম্নমুখী থাকবে।
সন্ধানীর কেন্দ্রীয় পরিষদের উপদেষ্টা ডা. মণি লাল আইচ লিটু বলেন, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় উঠে গেছে বিধিনিষেধ। খুলেছে অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চলছে গণপরিবহন। তাই করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই।