পূবাইলে রাতে আঁধারে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ২, ভাংচুর ও লুটপাট

0
28

সৈয়দা রোকসানা পারভীন (রুবি)- গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূবাইলে রাতের আঁধারে ভাংচুর, লুটপাট ও সন্ত্রাসী হামলা করে প্রায় পনের লক্ষ টাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় সরজমিনে গিয়ে জানা যায় পূবাইল কলেজ গেইট এলাকায় খিলগাও পশ্চিম পাড়া জনৈক মোঃ জসিম উদ্দিনের বসত বাড়িতে এই হামলার ঘটনা চালিয়েছে।
ঐ বাড়িতে বসবাসরত কেয়ার টেকার বাড়ির মালিকের নিকট আত্মীয় শাহিনুর বেগম। স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান আমরা প্রায় দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ এখানে বসবাস করে আসছি। বাড়ির মালিক আমাদের নিকট আত্মীয়। বাড়ির নির্মাণের পর থেকেই আমরা এখানে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হাস মুরগির লালন পালন ও বিক্রি করে পরম সুখে-শান্তিতে বসবাস করে আসছিলাম। কখনও কারো সাথে কোন ধরনের শত্রু“তাবশত কোন বিরুধ সৃষ্টি হয় নাই। হঠাৎ করে গতকাল রাতে আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় এলাকার কিছিু সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। দেশীও অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার পরিবারের সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট ভাংচুর চালায়। আমরা ডাক চিৎকারের চেষ্টা করিলে, সন্ত্রাসী মোঃ দুলাল, মোঃ জহুর উদ্দিন, রিপন সরকার, মোঃ ইমদাদ, আঃ আওয়াল সরকারসহ অজ্ঞাত আরো দশ থেকে পনের জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক আমাদের শারীরিক নির্যাতন করে। তাদের হামলায় পরিবারের দুইজন আহত হন। নগত টাকা ও স্বর্ণলংকার আসবাবপত্র ভাংচুর, বাড়ির সামনের দোকানে মুরগী ও কাঁচামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। তারা চলে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে বলে আমাদেরকে এখান থেকে উৎখাত করে দিবে। এই ঘটনায় আমার আত্মীয় বাড়ির মালিক জসিম উদ্দিন ও তার ছেলে সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে অবগত করলে গঠনাস্থলে আমাদেরকে স্থানীয় লোকজনের সহয়তায় উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ্ মাস্টার হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। এ বিষয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবগত করে পূবাইল থানায় পাঁচজন সহ অজ্ঞাত আট-দশজন বিবাদী করে ১০ই জুন একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। থানা পুলিশ অবগত হয়ে একই দিনে বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পূবাইল থানার এস.আই শরীফ ইসলাম। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা রুজু হয়নি। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী বিবাদীরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার আতংকে দিন কাটাচ্ছে। যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এমন হতাশা রয়েছেন। দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে প্রচলিত আইনে দোষিদের গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানায় ভুক্তভোগী।