“ছেলেকে বাঁচাতে বাবার আকুতি”

0
356

মোঃ মোহাইমিনুল ইসলাম, উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা মৌজার বাসিন্দা সামছুল আলম (বাবু) পিতাঃ রুহুল আমীন (ফেরিওয়ালা) মাতাঃ সাজেদা বেগম। রুহুল আমীন জানান, পরিবারের সদস্য ১ ছেলে ২ মেয়ে। পরিবারে তিনিই একমাত্র উপার্জনকারী, খুব কষ্টে দুই মেয়েকে বিয়ে দেয়, বাবার এমন কষ্ট ছেলে সহ্য না করতে পেরে ছেলে সামছুল আলম (বাবু) ২০১৬ সালে ঢাকা, এয়ারপোর্ট (বালুর ঘাট) ক্যান্টনমেন্ট ( নির্মাণাধীন টাওয়ার ৩৯০ খাঁন ট্রেডাস কোম্পানি) কর্মের সন্ধানে পাড়ি দেয়- কাজ পেলো কনাসট্রাকশন সাইডের রাজ মিস্ত্রীর (জোগালি) হিসেবে, স্বপ্ন ছিলো আয় রোজগার করে বাবার কষ্ট কিছু হলেও কমিয়ে আনাতে পারবে এবং সংসারেও সচ্ছলতা ফিরিয়ে আসবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ১৬ তলায় জানালার কাজ করা অবস্থায় পড়ে গিয়ে দেহের উপরের অংশে আঘাত পেলেও তেমন হ্মতি হয়নি নিচের অংশে ডান পাজোরের মাংস ছিঁড়ে যায়, ডান / বাম পা দুটো ভেঙে যায় মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকা শ্যামলী পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন কর্মরত ঐ কোম্পানি। ওখানে থাকা অবস্থায় অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা নর্দার্ন ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয় তারপর একটু সুস্থ অনুভব হলে আবার শ্যামলী পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওখানকার চিকিৎসক ব্যথরতা প্রকাশ করলে ওখান থেকে রংপুর প্রাইম মেডিকেলে আনা হয় দুইদিন থাকা অবস্থায় ওখানাকারও চিকিৎসক একই কথা বলে চিকিৎসা ছেড়ে দেয়- তখন তাকে রংপুর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারপর চিকিৎসক সাহসের সাথে তার চিকিৎসা সেবা শুরু করেন বাম পায়ের হাড় ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়ার বাম পায়ে প্রথমে রড ঢুকানো হয়, তারপর আবারও রড ঢুকানো হয় এভাবে চারবার রড ঢুকানো হয়, রড বের করে পরে এলেট জারি খাঁচা রড লাগা হয় পরে সেটা দিয়েও কোনক্রমেই পায়ের মেজারমেন্ট আসছে এমতাবস্থায় বাম পা কেটে ফেলে হয়। হয়ে গেলে চিরদিনের পঙ্গুত্ব, এখানেই শেষ নয়! আগের ছবিতে দেখতেছেন দুটো পা আছে অপারেশনে বাম পা হারিয়েছে, এখন একপায়ে লাটিতে ভর করে কোনরকম চলাফেরা করে। ডান পায়ে প্লেট দেওয়া হয় এবং কিছু দিনপর প্লেট বের করা হয়। ডান পায়ের মাংসপেশিতে এখন রড ঢুকানো আছে… ডাঃ বলছেন অপারেশন করতে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাগবে পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে বাবার পহ্মে ছেলের অপারেশন করা সম্ভব নয় বিগত দিনের চিকিৎসার ব্যয়ভার মানবিক ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতা ও নিজের হাতের সর্বস দিয়ে চিকিৎসা করেছেন এখন নিঃশ্ব হয়ে পড়ছেন, এমনকি টাকার অভাবে কোন দিন অর্ধহারে থাকতে হচ্ছে খাবার জুটে নাহ, পেশায় ফেরিওয়ালা কিন্ত করোনার কারণে গ্রামে বেড়াতে পারছেন নাহ খুব দুঃখকষ্টে কাটছে জীবন এমতাবস্থায় পিতা রুহুল আমীন ছেলেকে বাচাঁতে দেশবাসীর নিকট আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন, ডাঃ বলছেন নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে অপারেশন করতে না পারলে ইনফেকশন হলে অবস্থার অবনতি হলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তাই সকলকে সহযোগিতার করার জন্য বিনীত অনুরোধ করতেছি।

আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর নাম্বারঃ
বিকাশ নাম্বার- 01845325437
পিতাঃ রুহুল আমীন।

সার্বক্ষণিক যোগাযোগ
01315240077