অবশেষে সেই গোলাম কিবরিয়া রাজার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

0
637

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুগদার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া খান রাজা ওরফে ফ্রিডম রাজার বিচারের দাবিতে নির্যাতনের শিকার নুরুন্নাহার (৩৪) নামের সেই নারী এবার স্বো”ছার হয়ে মানব বন্ধন করেছেন বলে সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে।

আর মানব বন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে।
সূত্রে আরো জানা গেছে, ২০২০সালের ২৬ ফেব্রæয়ারী নুরুন্নাহার (৩৪) সহ ১৩৯জন কর্মীর পাওনা টাকা আদায়ের জন্য গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন। মুগদা হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগকারী রাজা নামের জনৈক নানা অপকর্মের রাজা ও তার সহযোগীরা নুরুন্নাহারকে পাওনাদার চক্রের হোতা ভেবে মুগদা হাসপাতালেই নির্মম নির্যাতন করেন।

এতে অন্তঃসত্বা নুরুন্নাহার জীবন ঝুকি পেরিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা করার পর মহাক্ষমতাধর মুগদা হাসপাতালের আউট সোসিং ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া রাজা তেলেবেগুনে জলে আরো মারমুখি হয়ে ওঠেন। চালাতে থাকেন নুরুন্নাহারসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকিসহ নানা চক্রান্ত। তার লোকজন নুরুন্নাহারকে রাস্তায় পেয়ে হোন্ডার নিচেয় ফেলায় ব্যার্থ হয়ে গাড়ী চাপা দিয়ে মারা হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে একাধিকবার।

আর এ নিয়ে থানায় জিডি পর্যন্ত হয়েছে। কিন্তু এতে নুরুন্নাহারের তেমনটি লাভ না হলেও রাজা আরো বেপরোয়া হয়ে চালিয়ে যাচ্ছে, তারা প্রতারনা শুদ্ধির অপতৎপরতা। উদ্দেশ্য নুরুন্নাহারকে দাবিয়ে ওই আউট সোসিং কর্মীদের টাকা আত্মোসাৎ করা। এখন নুরুন্নাহারদের পাওনা ওই মোটা অংকের টাকা না দিয়ে বিষয়টি ভিন্নখাতে চালিয়ে পার খুজতে ওই রাজা। অন্য দিকে রাজা চক্রের কাছে ওই আউট সোসিং কর্মী চক্রের হোতা হিসাবে চিহ্নিত নুরুন্নাহার ও তার পরিবারের উপর চালিয়ে যাচ্ছে, নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন, মামলা তুলে নেয়ার জন্য উপর্যপুরি হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, এলাকা ছাড়া করার ও স্বপরিবারে মেরে ফেলার। আর এতে ওই পরিবারটি মারাত্মক অসহয়াত্বের বেড়াজালে আটকে পড়ার এক পর্যায়ে হঠাৎ গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় হয়ে যায়। এরপর রাজা খানিকটা নড়েচড়ে বসে বরাবরের কায়দায় সংক্রিয় হয়ে হয়ে ওঠেন।

এতে ভুক্তভোগী নুরুন্নাহার বেশ স্বো”ছার হয়ে পাওনা টাকা আদায় ও সমস্ত অপকর্মের বিচারের দাবিতে ওই রাজার বিরুদ্ধে মানব বন্ধন করেন।
তবে রাজার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ঠ কোন বক্তব্য পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা গেছে,তিনি এসব পাত্তা দিচ্ছেন না। অধিকন্ত অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। আর তার কারন হিসাবে জানা গেছে, নুরুন্নাহার নামের ওই নারী অদৃশ্য একটি চক্রের পরোক্ষ মদদে এসব অপপ্রচার চালিয়ে নাগদ ও বাকি ফায়দা হাসিলের জন্য
তৎপর রয়েছেন।

কিন্তু ওই চক্রটির বিষয়ে স্পষ্ঠ কোন ধারনা পাওয়া যায়নি।