২০২৫ সালের মধ্যে জাপানকে হটিয়ে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত

0
40

অনলাইন ডেস্ক : চলতি বছর যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত দেশটি হতে যাচ্ছে ভারত। ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি জাপানকেও টপকে যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএইচএস মার্কিটের প্রতিবেদনে। খবর লাইভমিন্ট।
চলতি বছরের মে মাসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করেছে। এদিকে সর্বশেষ বার্ষিক অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় ‘অর্থনৈতিক রোডম্যাপ ২০২৫’ প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত রোডম্যাপের মূল লক্ষ্য চলতি বছরের ৩ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির অর্থনীতিকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। এটা সম্ভব হলে দেশটি বিশ্বের উচ্চমধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে বলা হয়েছে একই সমীক্ষায়।
আইএইচএসের সমীক্ষা বলছে, ২০১৯ সালের মধ্যে ভারত যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিকে পেছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৫ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে একই জরিপে। ২০২৫ সালের মধ্যে এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারলে দেশটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি জাপানের জিডিপি অতিক্রম করতে পারবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
চলতি বছর ভারতের ভোক্তাবাজার ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সাল নাগাদ এ বাজার ৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাস করা হয়েছে আইএইচএস মার্কিটের প্রতিবেদনে।
বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে ভারতের অবস্থান প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে। ভারতের অর্থনীতি বৈশ্বিক জিডিপি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।
এদিকে দেশটির ভোক্তাবাজারও বেশ দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে ভারত আগামীতে আরো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আইএইচএসের সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ অঞ্চলের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গতি বাড়াতে দেশটি ক্রমে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছে একই সূত্র।
এসব লক্ষ্য পূরণ করতে দেশটির অর্থনৈতিক রোডম্যাপে বহুমুখী চক্রাকার বিনিয়োগ, সঞ্চয় ও রফতানির ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে।
উদ্ভাবনের জন্য বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কর্মসংস্থান বাড়াতে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম এবং নতুন প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সর্বশেষ প্রতিবেদনে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্টার্টআপ এবং সম্প্রসারণশীল ইউনিকর্নের মতো নতুন অর্থনীতির জায়গাগুলো ভ্যালু অ্যাডেড ও দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএইচএসের প্রতিবেদনে।