স্বামীর টেলিফিল্মে তিশা, সঙ্গে চঞ্চল

0
25

অনলাইন ডেস্ক: আসছে ঈদুল আজহায় প্রচারের জন্য নতুন টেলিফিল্ম নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। নাম ‘আয়েশা’। এটি নির্মিত হচ্ছে আনিসুল হকের লেখা ‘আয়েশামঙ্গল’ উপন্যাস অবলম্বনে। টেলিফিল্মটির নাম ভূমিকায় রয়েছেন ফারূকীর স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তার বিপরীতে আছেন চঞ্চল চৌধুরী। তাকে দেখা যাবে জয়নাল চরিত্রে।

দীর্ঘ ১১ বছর পর টেলিভিশনের জন্য ‘আয়শা’ টেলিফিল্মটি নির্মাণ করছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ১৬ জুলাই, সোমবার রাজধানীর নাবিস্কোতে এটির কিছু অংশের শুটিং হয়। সেখানে গল্পের মূল চরিত্র তিশা এবং তার স্বামী জয়নালের চরিত্রে অভিনয় করা চঞ্চল চৌধুরী অংশ নেন। ১৮ জুলাই থেকে নোয়াখালীর মানিকপুরে এবং আগামী ৫ আগস্ট থেকে আবারও ঢাকায় এটির শুটিং শুরু হবে।

টেলিফিল্মটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে তিশা বলেন, ‘মনের ভেতরে অনেক সুন্দর একটি অনুভূতি কাজ করছে। অনেক বছর পর ফারুকী টেলিভিশনের জন্য টেলিফিল্ম নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। তা ছাড়া গল্পটি আমাদের শ্রদ্ধেয় আনিসুল হক স্যারের। সঙ্গে রয়েছেন চঞ্চল চৌধুরীর মতো একজন গুণী অভিনেতা। সব মিলিয়ে কাজটি ভালো হবে বলেই আশা করছি।’

এটির কাহিনি সম্পর্কে ফারূকী জানান, ‘একজন নারীর কাছ থেকে হুট করেই তার স্বামীকে গায়েব করে দেয়া হয়। এরপর তাকে রাষ্ট্রের মতো বিশাল একটা শক্তির মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়। রাষ্ট্রের মুখোমুখি দাঁড়ানো মানেই তো নিশ্চিত পরাজয়। কিন্তু সেখান থেকে একজন একা মানুষ কীভাবে ভীষণ শক্তিশালী হয়ে ওঠেন, কীভাবে ঘুরে দাঁড়ান, সেটাই দেখানো হবে ‘আয়শা’-তে।’

এদিকে চঞ্চল-তিশা দুজনেই বর্তমানে ব্যস্ত ঈদের নাটক নিয়ে। সামনে আবার মুক্তি পাবে তাদের অভিনীত ‘ফাগুন হাওয়া’ ও ‘দেবী’ ছবি দুটি। ব্যস্ততা রয়েছে সেসব নিয়েও। তারিখ জানা না গেলেও আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে পারে তিশার ‘ফাগুন হওয়া’। যেটিতে তার নায়ক ছোট পর্দার অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই ছবিটি নির্মাণ করেছেন তৌকীর আহমেদ।

অন্যদিকে ‘দেবী’-তে চঞ্চল চৌধুরীকে দেখা যাবে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অমর সৃষ্টি মিসির আলী চরিত্রে। হুমায়ূন আহমেদের ‘দেবী’ উপন্যাস অবলম্বনে একই নামে ছবি নির্মাণ করেছেন কলকাতার পরিচালক অনম বিশ্বাস। প্রযোজনায় রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবিতে রানু চরিত্রে তিনি অভিনয়ও করেছেন। এটি মুক্তি পাওয়ার কথা ২৮ ডিসেম্বর।

‘আরও উপকার হয়েছে, আগে শহরে যেতে হতো, লাইন ধরতে হতো, অর্থ খরচ করতে হতো, খুব কষ্ট হতো। এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ম্যাসেজ পাইয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেইকা এইটা নিয়া আসব, আমাদের কষ্ট হবে না, অর্থ খরচ হবে না। এই জন্য আমি আপনাকে আমি অন্তর অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাইলাম।’

‘অনেক অনেক দেয়া করি, আপনি যেন দীর্ঘজীবী হোন, আপনি যেন আবার থাকতে পারেন, আপনারে যেন আমরা দেখতে পারি।’