সিএমএসডি’কে মাস্ক এবং মেডিকেল গগল সরবরাহ করল জেডটিই

0
110

বিজ্ঞপ্তি : মোবাইল ইন্টারনেটে টেলিযোগাযোগ, এন্টারপ্রাইজ ও কনজ্যুমার টেকনোলজি সেবাদানে বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান জেডটিই করপোরেশন কোভিড-১৯ লড়াইয়ে বাংলাদেশের সম্মুখ যোদ্ধাদের সহায়তা করতে সম্প্রতি সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপোকে ২৫,০০০ মাস্ক এবং ৫০০ মেডিকেল গগল সরবরাহ করেছে।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ রফিকুল মতিন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নূর-উর-রহমান, কেন্দ্রীয় মেডিকেল স্টোরস ডিপো এর পরিচালক, অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোর্শেদ জামান, জেডটিই বাংলাদেশ প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা, ভিনসেন্ট লিউ এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা অনুদান হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন।
জেডটিই বাংলাদেশের এক বিবৃতিতে বলা হয় “এই অনুদানটির সাহায্যে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে এমন অনেক কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীরা আরও সুরক্ষিতভাবে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে পারবে”।

২০২০ সালে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সময়, জেডটিই সক্রিয়ভাবে সামাজিক দায়বদ্ধতা অনুশীলন করে আসছে। জেডটিই এর বৈশ্বিক ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক এবং রিসোর্সেস, জেডটিই ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে কর্মরত হাসপাতালগুলোতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় ফেস মাস্কস, নিউক্লিক অ্যাসিড পরীক্ষার সরঞ্জাম এবং অন্যান্য উপকরণ সহায়তা প্রদান করেছে।

এ প্রসঙ্গে জেডটিই বাংলাদেশের সিইও ভিনসেন্ট লিউ বলেন, “জেডটিই ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক মহামারি কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য মাস্ক এবং মেডিকেল গগল প্রদানের মাধ্যমে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জেডটিই বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।”

সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো এর পরিচালক, অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোর্শেদ জামান জেডটিই অনুদানটি গ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি কোভিড -১৯ ভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশকে শক্তিশালী করার জন্য জেডটিইকে ধন্যবাদ জানান।

এই সংকটময় সময়েও যোগাযোগের ক্ষেত্রে অপারেটরদের পূর্ণ সমর্থন হিসেবে জেডটিই অপারেটরদের সাথে চীনের ২৬টি প্রদেশের ৮২টি শহরে ২১০টি হাসপাতালের জন্য ৪জি / ৫জি নেটওয়ার্ক তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, জেডটিইর ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেমটি উহানের ২০টি মোবাইল কেবিন হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছিল। এছাড়াও নিউ মিডিয়া, ক্লাউড ওয়ার্কস্পেস, টেলিমেডিসিন, দূরবর্তি শিক্ষা, এবং ভিডিও নজরদারিসহ বিভিন্ন শিল্পে উদ্ভাবনী ৫জি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহৃত হয়েছে।