যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানির সংখ্যা ২ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে

0
33

আগের দিনের মতোই ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ও প্রাণহানি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। গত একদিনে সেখানে পৌনে ২ লাখের বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে প্রায় দুই হাজার মার্কিনির মৃত্যু হয়েছে। এতে করে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে আজ। তবে বরাবরের মতো পিছিয়ে সুস্থতার হার।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার নিয়মিত পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখ ১ হাজার ৮৩ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ২২ লাখ ৭৪ হাজার ৭২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৯৫১ জন। এ নিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৮৩ জনে ঠেকেছে।

অপরদিকে, সংক্রমণের তুলনায় কম হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৭৩ হাজার ভুক্তভোগী। এতে করে সুস্থতার সংখ্যা ৭৩ লাখ ১৬ হাজার ৩২৩ জনে পৌঁছেছে।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শিকাগোর এক বাসিন্দার মধ্যে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে ভয়ানক হতে থাকে পরিস্থিতি।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ধারণা ইতোমধ্যে তাদের দেশের অন্তত ২০ মিলিয়ন (দুই কোটি) মানুষ করোনার শিকার হয়েছেন। দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) বলছে, ‘প্রকৃত তথ্য হলো, প্রকাশিত সংখ্যার অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষ করোনার ভয়াবহতার শিকার।’

এর মধ্যে সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হার দীর্ঘ হচ্ছে টেক্সাসে। এ শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ ৬১ হাজারের বেশি। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ২০ হাজার ৯৫৬ জনের। ক্যালিফোর্নিয়ায় সংক্রমিতের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৪৫ জনের। ফ্লোরিডায় করোনার শিকার ৯ লাখ ২৩ হাজারের বেশি। ইতোমধ্যে সেখানে ১৭ হাজার ৮৯২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

ইলিনয়েসে এখন পর্যন্ত করোনার ভুক্তভোগী ৬ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১১ হাজার ৭৯৫ জন। প্রাণহানিতে শীর্ষ শহর নিউইয়র্কে আক্রান্ত ৬ লাখ ২৩ হাজারের অধিক। এর মধ্যে না ফেরার দেশে ৩৪ হাজার ১৮৬ জন ভুক্তভোগী। জর্জিজায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৪০ হাজার অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে প্রাণ ঝরেছে ৯ হাজার ১৪২ জনের।

নিউ জার্সিতে করোনার শিকার ৩ লাখ ৪ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১৬ হাজার ৮৪২ জনের।

এছাড়া উত্তর ক্যারোলিনা, টেনেসিস, উইসকনসিন, অ্যারিজোন, ওহিও, পেনসিলভেনিয়া, মিশিগান, মেসৌরি, ইন্ডিয়ানা ও আলবামার মতো শহরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে।