যাএাবাড়ী ফুটপাতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে আওলাদ ও ফাহিম বাহীনির চাঁদাবাজি

0
463

অপরাধ প্রতিবেদক : সন্ধ্যা হলেই রাজধানীর যাএাবাড়ী ফুটপাতে জ্বলে ওঠে শত শত বৈদ্যুতিক বাল্ব। স্থানীয় প্রভাবশালী ও একশ্রেণির দালাল এসব বিদ্যুৎ লাইনের সংযোগ দিয়ে চুটিয়ে অবৈধ ব্যবসা করছে। পকেট ভরছে ডিপিডিসির একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, কর্মচারী, প্রভাবশালী ও মাস্তানদের রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা যাএাবাড়ী, তাজ সুপার মার্কেট হইতে সামাদ সুপার মার্কেট গোল চত্বর পর্যন্ত ফুটপাত থেকে সাবেক যুবদল নেতা আওলাদ ও ফাহিম বাহীনি বিদ্যুৎ বিলবাবদ প্রতিদিন চাঁদা তুলেন। তবে আওলাদ ও ফাহিমের দাবি, বৈধ বিদ্যুৎক লাইন দিয়ে তিনি এই চাঁদা তুলে আসছেন। এবিষয়ে জানতে, আওলাদ ওফাহিম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি বৈধভাবে হকারদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিলবাবদ হকার প্রতি ২৫ টাকা করে নেই। ফুটপাতে হকার অবৈধ ও হকারদের বিদ্যুত দেয়াও অবৈধ কিনা জানতে চাইলে আওলাদ ও ফাহিম জানায়, হকাররা অবৈধ, আমার বিদ্যুৎ ব্যবসা বৈধ।
ভুক্তভোগী হকাররা জানান, দীর্ঘ অনেক দিন যাবৎ নিয়মিত, চাঁদা উত্তোলন করতো আওলাদের লোক জন। হকারদের নানাভাবে নির্যাতন চালাতো। এক পর্যায় হকাররা তার নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে চাঁদা দেয়া বন্ধ করে দেয়। হকাররা সম্মিলিত ভাবে বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করে ইয়াছিন মিন্টু নামে এক ব্যাক্তির নামে দুইটা মিটার আনেন । যার দায়িত্ব পালন করেন ইয়াছিন মিন্টু। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওলাদের লোক জন ইয়াছিন মিন্টুর বৈধ মিটারের লাইন বিছিন্ন করে হকারদের মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন শুরু করে।
আওলাদ ও ফাহিম তাঁর অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন সংযোগ দিয়ে পুনরায় চাঁদাবাজি শুরু করেন। তবে হকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিএনপি ক্ষমতায় নাই, সেই এত ক্ষমতা আর সন্ত্রাসী কিভাবে করে, চাদা বাজ ফাহিম ও বোমা ছামুর বিরুদ্বে রয়েছে বি এন পির একাদিক জালাও পোরাও মামলার আসামি। এর পিছনে কারা আছেন সেই বিষয়ে প্রাাসনের কাছে সুবিচার আশা আসা করে ইয়াছিন মিন্টু যাএাবাড়ী থানায় পৃথক দুটি সাধারন ডায়রি করেন। আমরা গরীব মানুয লাত্তী উষ্ঠা খেয়ে দু মুঠো ভাতের জন্যে রাস্তায় ঘাটে ব্যবসা করি । দশ লাখ রোহিঙ্গা যদি প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায় বেঁচে থাকতে পারে, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কেনো কাজ কর্ম করে বেঁচে থাকতে পারবো না।
এ সব বিষয়ে সাবেক যুবদল নেতা আওলাদ ও ফাহিম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি তাজ সুপার মার্কেট থেকে সামাদ সুপার মার্কেট পর্যন্ত বিদ্যুৎ দিয়ে হকারদের কাছ থেকে পঁচিশ টাকা করে চাঁদা তুলছি দীর্ঘ অনেক বছর ধরে। তিনি আরো জানান, আমি ডিপিডিসি কর্মকর্তা মেনেজ করে চলি এই ব্যবসা দীর্ঘ দিন করে আসছি। এবিষয় ডিপিডিসি নির্বাহী প্রকৌশালী দেলোয়ার হোসেন জানান আওলাদের মিটার টি বানিজ্যিক হলেও তিনি ফুটপাতে কোন সংযোগ দিতে পারবে না। ফুটপাতের জন্য দুইটা মিটারের আনুমদোন আছে মিন্টু নামের এক ব্যাক্তির নামে। কিন্তু ফুটপাতের অবৈধ বিদ্যুৎ এর ব্যাপারে কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছেনা নির্বাহী প্রকৌশালি দেলোয়ার হোসেন এমন অভিযোগ করেন হকারা।