মানবতার ফেরিওয়ালা, অসহায়ের বন্ধু আহাম্মদ উল্লাহ মধু

0
365

বার্তা প্রবাহ ডেস্ক : দেশে এখন করোনা মহামারীর কাল চলছে। করোনার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় সবকিছু। একদিকে মহামারীর আশঙ্কা, অন্যদিকে দরিদ্রদের আহাজারি ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে সাহস দিয়েছেন, আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং বলেছেন যে সংকট যত গভীরই হোক না কেন এখান থেকে আমরা উত্তরণ করতে পারবো।

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করে যে শেখ হাসিনার যে নেতৃত্বগুণ, তার যে যোগ্যতা, তার যে মানবিক মূল্যবোধ, সততা, তার ন্যায়নিষ্ঠা- সেগুলো দিয়ে তিনি এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবেন। তার একক নেতৃত্ব এবং বিচক্ষণতায় সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। কিন্তু এজন্য শেখ হাসিনার পাশে দরকার কিছু ভালো এবং সৎ মানুষ। সেই ভালো এবং সৎ মানুষদের একজন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমদ উল্লাহ মধু।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের নির্দেশে আহমদ উল্লাহ মধুর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ করোনার শুরু থেকে তৎপর যুবলীগের নেতাকর্মী। আজ পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলমান রেখেছে তারা। তারা যার যার সাধ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

আহমদ উল্লাহ মধু শুধু দলগতভাবেই নয়; ব্যাক্তিগত ভাবে নিজেও দিন রাত পরিস্রম করে যাচ্ছেন। রোদ বৃস্টি মাথায় নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। দুমুঠো খাবার তুলে দিচ্ছেন। এই মানুষ গুলো তাকে দক্ষিণের মানবতার ফেরিওয়ালা নামে ডাকে। যুব সমাজ তাকে আইকন মনে করে। অসহায় মানুষের বন্ধু মনে করে।

এদিকে, বাংলাদেশের কোভিড-১৯ করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে ১০২ দিন, ঢাকা দক্ষিণে সাহসিকতাপূর্ণ অবদান ও হতদরিদ্রদের ও মধ্যবিত্তদের পাশে থাকায় DYC International Bravery Awards-2020 – এ চূড়ান্ত মনোনীত হয়ে DYC International Bravery Award জয় করেছেন। কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ কোভিড-১৯ এর করোনা মহামারিতে কাজ করে বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার কাছে তার সাহসীকতা তুলে ধরেছে DYC International Bravery Award কর্তৃপক্ষ।

শুধু করোনাকাালে নয়, সকল সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকায় দলের অধিকাংশ তৃণমূলনেতা-কর্মীরা করোনা যুদ্ধে পুরস্কার অর্জনের মতো সৎ, নম্র, ভদ্র, বিনয়ী,কর্মীবান্ধব,পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী এই নেতাকে ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি হিসেবে দেখতে চান ।

জানা গেছে, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁর পিতা বিজিবি কোয়ার্টার মাষ্টার সানা উল্লাহ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় পাক হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ কালো রাতে তাদের গনকটুলীর বাড়ীটি জ্বালিয়ে দেয়।

আহমদ উল্লাহ মধুর পুরো পরিবার আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তিনি ১৯৮৪-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে থেকে ওয়ার্ড ও থানার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে রাজপথে ছিলেন সক্রিয়। ১৯৯১-১৯৯৫ এবং ২০০১-২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের আমলে বার বার হামলা-মামলার শিকার হন এবং কারাবাস করেন। নাসির উদ্দিন পিন্টুর টর্চার সেলে তাঁকে বার বার মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়।

১/১১ এর সময় তিঁনি দলের জন্য জোড়ালো ভূমিকা পালন করেন। ২০০৫-২০০৮ সাল পর্যন্ত তথা ফখরুদ্দিন সরকারের আমলে যখন ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের নেতারা পালিয়ে যান তখন তিঁনি দলকে সুসংগঠিত করে গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য রাজপথে লড়াকু সৈনিকের ভূমিকা পালন করেন।

গত মার্চ মাসে করোনা ভাইরাসের প্রেক্ষাপটে সরকারী ছুটি এবং অঘোষিত লকডাউনের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের গৃহবন্দি ও কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষজন যখন দিশেহারা তখন আহাম্মদ উল্লাহ মধু মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতে শুরু করেন যা এখনো অব্যাহত রেখেছেন।

ত্যাগী নেতা আহমদ উল্লাহ মধু জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতির দায়িত্বভার তাকে দেন তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মাথায় রেখে নিষ্ঠার সাথে দলের জন্য কাজ করে যাবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমদ উল্লাহ মধু বলেন. যদি আমরা সামগ্রিক অবস্থার ব্যাখ্যা করি তবে এই কথা বলতেই হবে যে বিশ্বজুড়ে বিরাজিত এউ মহাদুর্যোগ থেকে অবশ্যই আমরা পরিত্রাণ পাব। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সেই বাণীটা আমাদের স্মরণ রাখা দরকার। তিনি বলেছেন যে, বাঙালী বীরের জাতি এবং এবারও আমরা বিজয়ী হব। আমাদের সকলের বিশ্বাসও তা-ই।