ভারতেও পিয়াজের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

0
96

অনলাইন ডেস্ক : অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশে পিয়াজের দাম ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেই। মাসখানেক পরেও বাজারে নতুনের সঙ্গে আমদানির পিয়াজ মিললেও দাম কমার লক্ষণ নেই। এখনো দুইশ’র ওপর দাম দিয়েই কিনতে হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যটি।
বাংলাদেশের মত এবার ভারতেও পিয়াজের ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছে। শনিবার থেকে ব্যাঙ্গালুরুর খুচরা বাজারে পিয়াজ দুইশ’ রূপি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, পাইকারী বাজারে প্রতি কুইন্টাল (১০০ কেজি) পিয়াজ ৫ হাজার ৫০০ থেকে ১৪ হাজার রূপিতে বিক্রি হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। ফলে দিন দিন ঘর বা হোটেলের রান্নাঘর থেকে গায়েব হতে চলেছে ভারতীয়দের অতিপ্রিয় সবজিটি।
জানা যায়, ভারতে প্রতি বছর চাহিদা রয়েছে ১৫০ লাখ মেট্রিক টন পিয়াজের। সেখানে ২০ দশমিক ১৯ মেট্রিক টন পিয়াজ উৎপাদন হয় এক কর্ণাটক রাজ্যেই।
অতিবৃষ্টি ও বন্যায় এ বছর প্রচুর পরিমাণ পিয়াজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে ভারতজুড়ে। আর এ কারণে তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমার থেকে পিয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় মোদি সরকার। পিয়াজ সংকটের অজুহাতে ভারত অক্টোবরের শেষের দিকে বাংলাদেশে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলেও পুরোদমে চালু রেখেছে মালদ্বীপের সঙ্গে। প্রয়োজনে আমদানি করে হলেও মালদ্বীপকে পিয়াজ দেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতের খাদ্যমন্ত্রী রাম বিলাস পস্বন। তবে এতে অনেকটা হিতে-বিপরীত হয়েছে তাদের জন্য।
গত নভেম্বরেও কর্ণাটকের বাজারে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ কুইন্টাল পিয়াজ মিলেছে প্রতিদিন। কিন্তু ডিসেম্বরের শুরুতেই তা কমে গেছে প্রায় ৫০ শতাংশ।
কারণে সংকট কাটাতে কৃষি পণ্য বাজার কমিটি (এপিএমসি) ছুটির দিনেও পিয়াজ বেচাকেনা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কর্ণাটকের কৃষি বিপণন কর্মকর্তা জানান, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে খুব বেশি পিয়াজ মজুদ নেই। আশ্চর্যজনক ব্যাপার, কর্ণাটকে পিয়াজ সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত গুদামও নেই।