বিএনপি ও টিআইবির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই : চট্টগ্রামে তথ্যমন্ত্রী

0
69

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) বিরুদ্ধে একপেশে, উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বক্তব্য ও প্রতিবেদন প্রকাশের অভিযোগ এনে সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জনগণ চাইলে টিআইবির বিরুদ্ধে ‘যে কোনো কিছু’ হতে পারে।
‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনার’ প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি বলেছে, প্রার্থীরা সমান সুযোগ না পাওয়াসহ বিভিন্ন ত্রুটির কারণে একাদশ সংসদ নির্বাচন ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত’।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত তৈরিতে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাটির মতে, এ ধরনের নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নয়।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্য তুলে ধরতে বুধবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম নগরের দেওয়ানজি পুকুরপাড় এলাকার নিজের বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন দলটির অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ।
এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপির বক্তব্য ও টিআইবির প্রতিবেদনের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কয়েক বছর ধরে টিআইবির একপেশে ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত প্রতিবেদনের কারণে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
তথ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য তুলে ধরে একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদার জানতে চান, ক্ষমতাসীন দলের বক্তব্য অনুযায়ী, টিআইবি দীর্ঘদিন ধরে ঢালাওভাবে সরকারের সমালোচনা করছে, এতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদেরকে থামানোর জন্য আওয়ামী লীগ কিছু করবে কিনা?
জবাবে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, টিআইবি বেশ কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে ক্রুটিপূর্ণ কমিশনের নামে তারা যে সমস্ত প্রতিবেদন সময়ে সময়ে প্রকাশ করেছে, এ নিয়ে তাদের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হয়ে গেছে।
টিআইবির গ্রহণযোগ্যতা যেটি আগে ছিল, সেটি এখন আর নেই দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণ চাইলে যে কোনো কিছু হতে পারে। তবে আমরা মনে করি যে, গ্রহণযোগ্য বিভিন্ন সংস্থা থাকা প্রয়োজন, যেগুলো বস্তুনিষ্ট সমালোচনা করবে। কিন্তু সমালোচনা যখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়, সমালোচনা যখন পক্ষপাতদুষ্ট হয়, তখন সমাজ, দেশকে উপকৃত করেনা। বরং দেশ ও সমাজের ক্ষতি হয়।
টিআইবি এই উপলব্ধি থেকে তাদের কার্যক্রমকে ঢেলে সাজাবে বলেও আশা তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের।