ফরিদপুর-২ আসন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রচারনায় সরগরম রাজনৈতিক মাঠ

0
123

মিজানুর রহমান, নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা) আসনের রাজনৈতিক মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া আওয়ামী লীগের একাধিক নীতি নির্ধারকদের বক্তব্যে আগামীতে একটি প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বার্তায় বড় দু’দলের নেতা কর্মী সমর্থকদের মধ্যে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে প্রচারনা শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপি। দীর্ঘদিন ভোটের আমেজ বঞ্চিত সাধারন ভোটারদের মধ্যে চলছে চুল চেরা বিশ্লেষণ। নির্বাচনের প্রায় ১ বছর বাকি থাকলেও নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর-২ আসনের নিজ নিজ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতিমধ্যে নানা কর্মসূচীতে অংশ নিয়ে নিজেদের প্রার্থীতা জানান দিয়েছেন।

ঈদ ও পূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বুঝিয়েছেন নানা রঙ্গের ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন। পাড়া মহল্লার বিভিন্নস্থানে সামাজিক কর্মকান্ড ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নেতা কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও খোঁজখবর রাখছেন। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আনাগোনা তৎপরতা বাড়ছে, বাড়ছে মাঠ দখলের কৌশল। নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার জাতীয়তাবাদী দল এক কথায় বিএনপির ঘাট বললেই চলে। মাটি ও মানুষের নেতা গণতন্ত্রের সিংহপুরুষ বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম জননেতা কে এম ওবায়দুর রহমানের একমাত্র কন্যা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু কে হারিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি হিসাবে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের একাধিক ও বিএনপির একক প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা শোনা যায়। সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এম.পি. ছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় রয়েছেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা আসমা হালিম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট জামাল হোসেন, জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য বর্তমান আওয়ামী লীগ প্রেমিক সাইফুজ্জামান জুয়েল চৌধুরী ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একক প্রার্থী হিসাবে রয়েছেন গত নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়েও জয়ী হতে পারেননি শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে দল থেকে মনোনয়ন না পেলেও সতন্ত্র হিসাবে প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন বলে ব্যক্ত করেন।

বিএনপির নেতা কর্মীরা অনেকটা নীরব কৌশল হয়ে মাঠের রাজনীতি টিকিয়ে রেখেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা শহর থেকে ছুটে আসছে নিজ নির্বাচনী এলাকায়, নিচ্ছে মানুষের খোঁজ কবর দিচ্ছে নানা প্রতিশ্রুতি। এলাকার ভোটারদের মধ্যে ভোটের আমেজ বিরাজ করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here