“প্রতিবন্ধী না বলে বলতে পারি” Differently able

0
92

এস ইবাদুল ইসলাম : প্রতিবন্ধী অক্ষম মানুষেরা চির কালই সমাজে সবলদের দ্বারা উপেক্ষিত ও অবহেলিত হয়ে আসছে। প্রতিবন্ধীদের একাংশ জন্মগত ভাবে প্রতিবন্ধী। আবার কেউ কেউ দূর্ঘটনার কারনে প্রতিবন্ধীত্বের শিকার হয়। এরা শারীরিক, শ্রবন, বাক, বুদ্ধি ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়ে থাকে। সমাজে প্রতিবন্ধী মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরন স্বাভাবিক ও সম্মানজনক জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। তাছাড়া প্রতিবন্ধীদের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত বলিষ্টভাবে মানুষকে কর্তব্যপরায়ন ও দায়িত্ব সচেতন হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দেশের অবকাঠামো যদি ভালো হয়, তবে একজন প্রতিবন্ধী সুন্দর ভাবে বিকাশিত হতে পারে। প্রতিবন্ধীরা শারীরিক,মানসিক কিংবা অর্থসামাজিক অক্ষমতা বা অসুবিধার কারনে স্বাভাবিক ও স্বাবলম্বী জীবন যাপন করতে পারে না। একমাত্র ধর্মপ্রান সংবেদনশীল মানুষ যারা অন্যের দুঃখকষ্টকে সহমর্মিতার দৃষ্টিতে দেখেন। এজন্য প্রতিবন্ধীদের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা দয়া মায়া সেবা যতœ সুযোগ সুবিধা ও সাহায্য সহায়তার হাত প্রসারিত করেন। প্রতিবন্ধীদের সীমাহীন দুঃখ দুদর্শা উপলব্দি করতে পারেন।

মানুষ হিসাবে বেচেঁ থাকার নূন্যতম মৌলিক অধিকার গুলো তাদের ন্যায্য প্রাপ্য।

তাই প্রতিবন্ধীদের প্রতি আন্তরিক ভালবাসা প্রদর্শন ও সহানুভুতিশীল হওয়া অত্যাবশ্যক বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধের বৈষম্য ও দুঃখ কষ্ট অপরীসীম। আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য স্কুল আছে যেখানে তাদের বিষয় ভিত্তিক জ্ঞান ও বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিবন্ধী অক্ষম মানুষেরা চিরকালই সমাজে সবলদের দ্বারা উপেক্ষিত ও অবহেলিত হয়ে আসছে। প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে অসাধারন, উপহাস ব্যাঙ্গ-বিদ্রপ বা ঠাট্রা, তামাশা করা সৃষ্টিকে তথা আল্লাহকে উপহাস করা।

সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল একজন প্রখ্যাত অটিজম বিশেষজ্ঞ।  বিশিষ্ঠ পরমানু বিজ্ঞানী ড: ওয়াজেদ পিতা ও  মাতা বর্তমান বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সায়েমা ওয়াজেদ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ¯œাতক ডিগ্রী ২০০২ সালে কিনিক্যাল সাইকোলজির উপর মাষ্টার্স ডিি গ্র এবং ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজির উপর বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি লাভ করে।

সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল ২০০৮ সাল থেকে শিশুদের অটিজম এবং ¯œায়বিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়ের উপর কাজ শুরো করেন। অল্প সময়ের মধ্যে তার কাজ বিশ্ব জুড়ে প্রসংশা পেয়েছে। বিশ্বসংস্থা ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে  পুতুলকে হু অ্যাক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে। মনস্তত্ব বিদ সায়মা যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষনা প্রতিষ্ঠান অটিজম স্পিকস এর পরামর্শক হিসাবেও কাজ করেন। তিনি ২০১৩ সালের জুন থেকে মানুসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলে অর্ন্তভূক্ত হন।

তিনি বাংলাদেশের প্রতিবন্ধিদের জন্য কাজ করছেন। তাদের অধিকায় সুরক্ষায় তিনি বিভিন্ন কর্ম সূচি হাতে নিয়েছে। যার বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে প্রতিবন্ধীদের শারিরীক, পারিবারিক, সামাজিক ভাবে রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে।

প্রতিবন্ধিদের সুন্দর নামে ডাকা হয়। তাদের বুদ্ধির বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। খেলাধুলা, চিত্রাংকন, গান, নাচসহ বিভিন্ন প্রতি যোগিতায় তারা অংশ গ্রহন করেছেন। তাদের সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য করার কর্মসূচি গ্রহন করা ও পারিবারিক সদস্যদের কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। শারিরীক প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা গ্রহন শেষে চাকুরির কোটা নির্ধারন করা হয়েছে। তাছাড়া আমরা ইতিপূর্বে জেনেছি বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশ ভারত, অ্যামেরিকা, জার্মান সহ অন্যান্য দেশে ও আমাদের বাংলাদেশে ও আইন বিভাগে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী (অন্ধ) ব্যক্তিরা আইন পেশায় নিয়োজিত থেকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছেন। বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করছেন তারা।

সুতরাং, এই Differently able প্রতিবন্ধীদের ছোট করে না দেখে তারা ও দেশের সম্পদ হতে পারে সে লক্ষে আমি বলবো অবশ্যই সর্বাগ্রে পরিবার ও অভিবাবককে সচেতন হতে। একটি শিশু জন্মের পূর্বক্ষন থেকেই আগত শিশুর নিরাপদ ভাবে মাতৃগর্ভে বেড়ে উঠতে গর্ভবতী  মায়ের যতেœর প্রয়োজনীয়তা অতিব গুরোত্বপূর্ন। চিকিৎসা বিদের পরামর্শ ও পুষ্টি যুক্ত খাবার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা। তাহলে হয়তো আমরা অনেকটাই ঝুকি এড়াতে পারবো এবং সুস্থ্য শিশু উপহার পাবো। যা Differently able শিশুর জন্মের সম্ভাবনা অনেকটা প্রশমিত হবে।

লেখকের মতে :

We are Looking Nature

Of world Beauty

As we have Eyes

But the Disable persons are Feeling

By Their Hearts Light.

Because they are not dead.

Every One Should Feel

For Them, Till the Death

As such they are also Humanbeaing