প্যাকেটে ডাবের পানি

0
136

অনলাইন ডেস্ক : ডাব কেটে পানি খাওয়ার কষ্ট লাঘব করতে এবার টেট্রা প্যাকে বিক্রি করা হচ্ছে ডাবের পানি। ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা নতুন এই ডাবের পানি দেশের বাজারে এনেছে ‘বিগ বিজ’ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, দেশের বাজারে তারা প্রথম কোকো ফ্রেশ নামে নতুন এই ডাবের পানির টেট্রা প্যাকেট এনেছে। এক লিটার ও ৩৫০ এমএল প্যাকেটে পাওয়া যাবে। এই পানির মূল্য এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। ক্রেতাদের জানাতে তারা মেলায় এসেছে। শিগগির দেশের বিভিন্ন সুপারশপ ও দোকানে বাজারজাত করা হবে এই ডাবের পানি।

বিগ বিজের ব্র্যান্ড প্রমোশন কর্মকর্তা নাদিয়া বলেন, ‘আমদানি করা এই ডাবের পানি সম্পূর্ণ ফ্রেশ। যারা ডাব খেতে ভালোবাসেন, কিন্তু সব সময় সেটা নাগালের মধ্যে পান না, তাদের কথা মাথায় রেখে এটা আমদানি করা। দুই ধরনের টেট্রা প্যাক বাজারে পাওয়া যাবে, যা ফ্রিজে রেখে খাওয়ার প্রয়োজন হবে না।’ তবে প্যাকেটের মুখ খোলার পর কত দিন রেখে খাওয়া যাবে তা জানাতে পারেননি এই কর্মকর্তা।

নাদিয়া জানান, ডাবের পানি ছাড়াও তাদের ১১ ধরনের পণ্য বাজারে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য প্যাকেট দুধ, বাচ্চাদের জন্য রয়েছে দুধ ও হরেক রকমের জুস। এগুলো কয়েকটি সুপারশপে পাওয়া যাচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে চতুর্থ ফুড এগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো শুরু হয়েছে। সেখানেই প্রতিষ্ঠানটি তাদের আমদানি করা নানান পণ্য প্রদর্শনী করছে।

সেমস গ্লোবাল আয়োজিত এই মেলা বুধবার শুরু হলেও উদ্বোধন করা হয় আজ বৃহস্পতিবার বিকালে।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন ইসলাম মেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক, পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক আমিনুল ইসলাম, ঢাকা চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমরান আহমদে প্রমুখ। মেলা চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

ভারতের ড্রাইটার্চ প্রসেস প্রাইভেট লি. নামের একটি প্রতিষ্ঠান টমেটো থেকে তৈরি করা ১৫ ধরনের পাউডার এনেছে, যা দিয়ে হরেক রকমের বিস্কুট তৈরি করা সম্ভব। এই পাউডার সফটড্রিংক তৈরির কাজেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠানের গণমাধ্যম শাখার প্রধান অদিতি মন্ডল জানান, পুরনো ও নতুন ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে এই মেলার আয়োজন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ, প্যাকেজিং, কৃষিপণ্য বিক্রি ও প্রদশন করা হচ্ছে।

ড্রাইটার্চের এক্সপোর্ট ম্যানেজার সন্দেশ লর্ড জানান, তাদের টমেটো পাউডারগুলো  ডেইরি, বেভারেজ, কনফেকশনারি, বেকারি পণ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এসব পাউডারে বেশি পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। কেউ চাইলে করলে স্যুপ বানিয়েও খেতে পারবে।

এ ছাড়া বিআইটিএ নামে আরেকটি মেলা বসুন্ধরা আন্তজার্তিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখানে প্রায় ৩০টি প্রতিষ্ঠান ৫০টির মতো স্টল দিয়েছে। সেখানে কাপড়, কসমেটিকস, প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে।

কাশ্মীর থেকে এসে মেলায় স্টল দিয়েছেন ইমাম হাসান। ছয় বছর ধরে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন মেলায় স্টল দিচ্ছেন। বাংলাদেশকে ভালোবেসেই তিনি প্রতিবছর মেলায় অংশ নেন বলে জানান। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ তার সব সময় ভালো লাগে।