পূর্বঘোষিত স্থানে রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

0
329

সেলিম সানোয়ার পলাশ, রাজশাহী ব্যুরো : আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ এর মধ্যেই ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত স্থানে মহানগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, রাজশাহী। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, রাজশাহীর সভাপতি ও ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে শহীদদের স্মরণে রাজশাহীতেই দেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। ভাষা আন্দোলনে রাজশাহীর গৌরব উজ্জল ইতিহাস থাকলেও এতোদিনেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যেই আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত স্থানে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ দেখতে চাই। এটি আমাদের প্রাণের দাবি। রাজশাহীর সর্বস্তরের জনসাধারণের দাবি।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মহানগরের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, কবিকুঞ্জের সাধারণ সম্পাদক কবি আরিফুল হক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার ঘোষ, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামারুল্লাহ সরকার, রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহসান কবির লিটন, ঋতিক ঘটক ফ্লিম সোসাইটির সভাপতি ডা. এফএম এ জাহিদ। সঞ্চালনা করেন মহানগর সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল।
উল্লেখ্য, রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে সরব হয়ে উঠেছে সর্বস্তরের জনসাধারণ। সম্প্রতি একই দাবিতে রাজশাহীর সর্বস্তরের জনসাধারণ ও রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ মানববন্ধন করেছে। তারা বলেছেন, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পূর্বেই পূর্বনির্ধারিত ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের জায়গায় রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে। অন্যথায় দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। শহীদ মিনার নির্মাণে বাধাদানকারীদের প্রতিহত করা হবে।