নীনার ওই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল

0
47

অনলাইন ডেস্ক : অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা আপাতত ছুটি কাটাচ্ছেন উত্তরাখণ্ডের মুক্তেশ্বরে। সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সাচ কাহু’ অর্থাৎ ‘সত্যি বলতে’ বলে একটি সিরিজ শুরু করেছেন তিনি। যেখানে নিজের মনের কথা শেয়ার করছেন অভিনেত্রী।

সোমবার সেই সিরিজের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন নীনা। সেখানে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ৬০ বছরের নীনার বক্তব্য, ‘সত্যি বলতে কি বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াবেন না’। প্রায় ২ মিনিট ৪ সেকেন্ড ধরে এমন সম্পর্কের কঠিন বাস্তবের কথাই বলেছেন নীনা।
এর আগেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন নীনা। ভিভ রিচার্ডসের প্রেমিকা তথা বিশিষ্ট অভিনেত্রী নীনা গুপ্তার স্বীকারোক্তি ছিল, অতীতের কোনও সিদ্ধান্ত বদলানোর সুযোগ পেলে তিনি বিবাহবহির্ভূত সন্তানধারণের সিদ্ধান্ত বদল করতেন।

অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অতীতের কোন সিদ্ধান্তকে তিনি বদলাতে চান? উত্তরে নীনার স্পষ্ট বক্তব্য, ‘বিয়ের বাইরে সন্তানধারণ না করলেই পারতাম। প্রত্যেক সন্তানের বাবা-মা দু’জনকেই প্রয়োজন।’ গলায় আক্ষেপই ধরা পড়েছে। নীনা বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাঁর ওই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। বছর দুয়েক আগে তিনি একবার বলেছিলেন, ‘আমি সব মহিলাকে বলতে চাই একটা কথা। যদি আপনি ভারতে থাকতে চান, সমাজে থাকতে চান, তাহলে আপনাকে বিয়ে করতেই হবে।’

আটের দশকে নীনা সম্পর্কে জড়ান ভিভের সঙ্গে। বহুচর্চিত রোমান্সের পর ১৯৮৯ সালে তাঁদের মেয়ে হয়। নাম রাখা হয় মাসাবা। ওই সময় সাহসী সিদ্ধান্তের জন্য অনেকে নীনাকে প্রশংসা করেন, পাশাপাশি সমালোচনারও মুখোমুখি হন তিনি।

মাসাবাকে ‘সিঙ্গেল মাদার’ হিসেবেই বড় করে তোলা নীনা সিঙ্গল মাদারের কাছে বরাবরই উজ্জ্বল উদাহরণ। ষাট বছর বয়সে পৌঁছে তাঁর সাম্প্রতিক স্বীকারোক্তিতে অনেকেই অবাক। নীনার সাম্প্রতিকতম ছবি ‘লাস্ট কালার’ কয়েকদিন আগে অস্কারের দৌড়ে জায়গা করে নিয়েছে। ভিভের নিজের স্ত্রী মারিয়ম ছিলেন অ্যান্টিগায়। তাঁদের দুই ছেলে। প্রথম ছেলে মালির জন্ম ১৯৮৩ সালে। নীনাকে বিয়ে করেননি ভিভ। প্রথম দিকে নিয়মিত আসতেন ভারতে। মাসাবার জন্মানোর পর তাঁকে দেখেও যান। তারপর ধীরে ধীরে তাঁর ভারতে আসাই কমে যায়। নীনা পরে বিয়ে করেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট বিবেক মেহরাকে।