‘দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না’

0
40

অনলাইন ডেস্ক: কলকাতার বাংলা ছবির অন্যতম সুপারস্টার সোহম চক্রবর্তী। বর্তমানে একই সঙ্গে চলছে তার তিনটি ছবির কাজ। তিনটিতেই নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এই ছবিগুলোর শুটিং ও প্রমোশন নিয়ে এখন ব্যস্ত নায়ক সোহম। কিন্তু সোহম ভক্তদের অনেকেই হয়তো জানেন না, অন্য পেশায়ও অল্প বিস্তর ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের পছন্দের অভিনেতাকে।

সেটা হচ্ছে, রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত সোহম। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পক্ষে গত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থীও হয়েছিলেন। কিন্তু অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। তবে রাজনীতিতে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদে তাকে ঠিকই রেখেছেন মমতা। তাইতো, অনেকের মতো অভিনেতা সোহমও মমতাকে ‘দিদিমণি’ বলে ডাকেন।

সম্প্রতি কলকাতার আনন্দবাজারকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে নির্মিতব্য তিনটি সিনেমার পাশাপাশি রাজনীতি নিয়েও প্রশ্ন করা হয় নায়ক সোহমকে। জানতে চাওয়া হয় পুরোদস্তুর রাজনীতিতে কবে আসবেন। উত্তরে সোহম জানান, পুরোপুরি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ার ইচ্ছা তার রয়েছে। তবে সেটা একেবারে অভিনয় ছেড়ে দিয়ে নয়।

নায়ক জানান, ‘দুই নৌকোয় পা দিয়ে চলা যায় না। সবকিছুই আমি ডেডিকেশন নিয়ে করি। রাজনীতিতে এসেই একটা পোস্ট পেয়েছি। দায়িত্ব দিয়েছেন দিদিমণি। কৃতজ্ঞ তাঁর প্রতি। অভিনেতা হিসেবে বাংলার প্রতিটা ঘর আমাকে চেনে। ফলে সেটা ছাড়তে পারব না। হয়তো সংখ্যা কমিয়ে দেব। বছরে একটা ছবি করব। বাকি সময়টা রাজনীতিতে দেব।’

এবার আসা যাক তার চলমান তিন ছবি প্রসঙ্গে। তিনটিরই প্রযোজক সুরিন্দর ফিল্মস। ছবিগুলো হচ্ছে, ‘বন্দি’, ‘পিয়া রে’ ও ‘গুগলি’। এর মধ্যে ‘গুগলি’র কাজ ইতিমধ্যে শেষ করে ফেলেছেন নায়িক। এটির পরিচালনায় রয়েছেন অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। মিষ্টি প্রেমের ছবি ‘গুগলি’-তে তোতলা চরিত্রে দেখা যাবে সোহম ও তার নায়িকা শ্রাবন্তীকে।

অন্যদিকে, ‘পিয়া রে’ ছবির পরিচালকও অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। নিম্নবিত্ত পরিবারের দুটি ছেলে-মেয়ের প্রেমকাহিনি দেখানো হয়েছে এই ছবিতে। যেখানে সোহমের চরিত্রটির নাম রবি। যে প্রেমে পড়ে রিয়া নামের একটি মেয়ে। এই মেয়ে হচ্ছেন শ্রাবন্তী। গুন্ডা ভাই ও মায়ের সঙ্গে সে বস্তিতে থাকে। রিয়া ভালবাসতে ভয় পায়, কমিটমেন্টে যেতে ভয় পায়। তার ভয় দূর করে পাশে এসে দাঁড়ায় রবি।

অন্যদিকে ‘বন্দি’ছবিতে সোহম ও শ্রাবন্তীকে দেখা যাবে ফটোগ্রাফারের চরিত্রে। একটি বিয়ে বাড়িতে ছবি তুলতে গিয়ে তারা এমন কিছু ছবি তুলে ফেলেন, যা তাদের বিপদের দিকে ঠেলে দেয়। এই বিপদ থেকে বাঁচতে তারা কলকাতা থেকে পালিয়ে বারাণসীতে চলে যান। ‘বন্দি’র পরিচালনার চেয়ারে রয়েছেন সুজিত মণ্ডল।