তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ

0
51

অনলাইন ডেস্ক : তাপপ্রবাহ!‌ তাও আবার ইউরোপে। এও সম্ভব। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব বলেই জানতেন বিশ্ববাসী। কিন্তু প্রকৃতির কল্যাণে সেটা সম্ভব হয়েছে। গত কয়েকদিনে ইউরোপজুড়ে গ্রীষ্মের দাপট এতটাই বেড়েছে যা সে দেশের বাসিন্দাদের কাছে অকল্পনীয়।
তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। কোথাও আবার প্রায় ৫০ ছুঁই ছুঁই। এখনও পর্যন্ত পর্তুগালের তাপমাত্রা রেকর্ড জায়গায় পৌঁছেছে।
রবিবার পর্তুগালের তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্পেনের তাপমাত্রাও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই সানস্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের।
পর্তুগালের পরিস্থিতি সবচেয়ে সংকটজনক। সেখানকার মোবাইলে অ্যালার্ট জারি করছে। বেশ কয়েকটি এলাকায় দাবানলের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দিনের বেলায় সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল স্পেনের কয়েকটি এলাকায়।
অ্যালগার্ভের মনশিকে ‌তীব্র দহনে আগুন ধরে গিয়েছিল বনাঞ্জলে। হেলিকপ্টারে করে পানি ছড়িয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পুরো এলাকাটাই খালি করে দেওয়া হয়েছে। স্পেন, পর্তুগালের বাসিন্দারা সমুদ্র সৈকতে সময় কাটাতে বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু প্রচাণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে সমুদ্র সৈকতগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে ফ্রান্সের তিনটি বড় পরমাণু চুল্লি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রচণ্ড রোদে পর্বত গলতে শুরু করেছে। এরইমধ্যে নেদারল্যান্ডের বেশ কিছু রাস্তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তাপপ্রবাহের রেশ গিয়ে পৌঁছেছে ইংল্যান্ডেও। দক্ষিণভাগের বেশ কিছু এলাকার তাপমাত্রা চড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে ব্যতিক্রম অবশ্য সুইডেন।
গত কয়েকদিনে সেখানে ঝড় বৃষ্টির বৌদলতে তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। তবে গত ২৫০ বছরে এবার সবচেয়ে বেশি গরম গ্রীষ্ম অনুভব করেছে সুইডেন। সে কারণে সুইডেনের একাধিক এলাকায় দাবানল দেখা দিয়েছিল এবার। গ্রিসে তো গরমের চোটে বিধ্বংসী দাবানলে মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের।