চাকরী প্রলোভনে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ায় যুবকের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় মামলা

0
13

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি চাকরী দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে সাম্প্রতি কে এম আরিফ হাসান নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় ধারা ৪০৬ ও ৪২০ পেনাল কোড অনুযায়ী একটি প্রতারণা মূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সূত্রজানায় গোপালগঞ্জ নিবাসী টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বাসিন্দা মোঃ খোশদেল খান এর পূত্র কথিত ছাত্রলীগ নেতা কে এম আরিফ হাসান সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরী পাইয়ে দেয়ার কথা বলে মোঃ সোহাগ রানা পিতা দুলাল সরদার, ইকবাল হাসান পিতা মোঃ নাছির, হাবিবুর রহমান পিতা মোঃ মোশারফ হোসেন, মোসাম্মৎ রানু আক্তার পিতা মশিউর রহমান এবং চান মিয়ার কাছ থেকে প্রায় ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিযোগ কারী আনন্দ কুমার মন্ডল।
তিনি তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন আসামি কে এম আরিফ হাসানের সাথে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে তার ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে বসে পরিচয় হয়। এর পর একদিন সে তাকে জানান সরকারি চাকরীর বেস কয়েকটি শুন্য পদ খালি আছে। যদি কেউ আগ্রহী থাকে তাহলে অবশ্যই যেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করি। ইতোমধ্যে সে নাকি এরকম অনেককেই চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। আমি তার কথাগুলো সরল মনে বিশ্বাস করে উল্লেখিত ৫ জনের কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী ৩০ লক্ষ টাকার মধ্যে ২৭ লক্ষ টাকা ভিবিন্ন সময় আরিফ হাসানকে এনে দেই।
তিনি তার এজাহারে আরো উল্লেখ করেন অক্টোবর ২০১৭ থেকে জুলাই ২০১৮ তারিখের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে এই টাকা গুলি তিনি তাকে দেন।
তিনি বলেন চামেলিবাগে টুইনটাওয়ার শপিংমলের একটি রেস্টুরেন্টে বসে নগদ ৩ লাখ, ব্রাক ব্যাংক বিজয়নগর শাখায় ৮ লাখ, অগ্রনী ব্যাংক প্রেসক্লাব শাখায় ১৫ লাখ ৭০ হাজার, এই মোট ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা তিনি দিয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন।
অভিযোগ কারী এজাহারে আরো বলেন দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও চাকরী না হওয়ায় চাকরী প্রার্থীরা আমাকে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে আমি কে এম আরিফ হাসানকে টাকা ফেরত দিতে অনুরোধ করি এবং সে আমাকে ১৩ লক্ষ টাকার ৩ টি চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে চেক নিয়ে উল্লেখিত তারিখে ব্যাংকে যোগাযোগ করলে জানতে পারি ব্যাংকে তার নগদ কোন টাকা নেই। বিষয়টি আরিফ হাসানকে জানালে সে টাকা না দিয়ে নানা তালবাহানা করতে থাকে।
তিনি বলেন দেশের নামকরা রাজনীতিবিধ এবং প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে তার চলাফেরা তাই তার কিছুই করা যাবেনা।
এ বিষয়ে পল্টন থানায় আনন্দ কুমার মন্ডল বাদী হয়ে কে এম আরিফ হাসানের নামে ধারা ৪০৬ ও ৪২০ পেনাল কোড অনুযায়ী একটি প্রতারণা মূলক মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নাম্বার ৪৯।