গণসংবর্ধনায় নির্বাচনী আমেজ

0
25

অনলাইন ডেস্ক: ভোটের বছরে বিরাট সমাবেশ। প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখলেন এক ঘণ্টারও বেশি। কিন্তু সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমাবেশের মধ্যে এই একটিতেই তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরাসরি কিছু বললেন না।

তবে আয়োজনের মধ্যমণি কিছু না বললেও গোটা আয়োজনেই নানাভাবে উঠে এসেছে নির্বাচনের আমেজ।

জনসভা মঞ্চ, নেতা-কর্মীদের সাজসজ্জা, স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুনসহ সব প্রচারপত্রেই নেতাকর্মীদের মনে ছিল নির্বাচন-এটা বোঝা গেছে।

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে হতে যাচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। টানা তিনবার জিতে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসার বাসনার অন্যতম কারণ ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং পরের বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন।

ক্ষমতায় থেকে ঘটা করে পালনের জন্যই ২০২০ সালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। আর এই বর্ষ পালন করতে হলে তাদের ক্ষমতায় ফিরতেই হবে।

আবার গত নয় বছরের শাসনামলে হাতে নেয়া মেগাপ্রকল্পগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে শেখ হতে যাচ্ছে।

এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে পদ্মা সেতু, কয়ালাভিত্তিক বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প, রাজধানীতে মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী টানেল, পাবনার রূপপুরে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র।

আবার আগামীতে ক্ষমতায় এসে বুলেট ট্রেন, পাতাল রেল, গভীর সমুদ্রবন্দর, স্বয়ম্ভর জেলা সরকারসহ উচ্চভিলাসী নানা প্রকল্পের ঘোষণা আছে সরকারের। এসব কারণে ক্ষমতায় ফেরা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের অন্যতম আগ্রহের জায়গা।

ভোটের বছরে রাজধানীতে বিশাল আয়োজনে রাজধানীর পাশাপাশি ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে এসেছেন নেতা-কর্মীরা। সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন দলীয় প্রতীক নৌকার প্রতিকৃতি।

সকাল থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে যেসব মিছিল গেছে, তার প্রতিটিতেই ‘শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনা’র পাশাপাশি ছিল ‘নৌকা, নৌকা’ স্লোগান।

মনোনয়নপ্রত্যাশীরাও তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে এসেছেন যাদের গায়ে একই ধরনের টি শার্ট দেখা গেছে, সেখানেও আছে দলীয় প্রতীক নৌকার ছাপ। তারা তাদের নেতাকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিও তুলেছেন।

নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় পছন্দের প্রার্থীর ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যায় নেতাকর্মীদের হাতে।

কৃতজ্ঞতায় ঢাকা আইমস