কামারখন্দে বর্ষার আগমনে খাল-বিলে মাছ শিকারে ব্যবহার হচ্ছে কারেন্ট জাল

0
114

সবুজ হোসেন সরকারঃ সিরাজগঞ্জ, কামারখন্দ, ভদ্রঘাট ইউনিয়নে র্বষার শুরুতেই গ্রামের বিভিন্ন খাল-বিল ও নদ-নদীতে মাছ শিকারের ধুম পড়েছে। কেউ খেয়া জাল দিয়ে, কেউ জাল টেনে কেউ দাঁড়কি দিয়ে কেউবা কারেন্ট জাল পেতে কেউ বরশি দিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে গ্রামীন মানুষ । র্বষার নতুন পানিতে মাছ ধরতে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন গ্রামের খাল-বিল ও নদ-নদীতে। জানা গেছে উজান থেকে নেমে আসা বর্ষার পানি ইছামতি নদীতে অথৈই পানি হয়ে বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবাহের ঢল পড়েছে।
নদী সহ বিভিন্ন নদ-নদী ও খাল-বিলে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই সাথে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দেখাও মিলছে ওই সকল নদ-নদী ও খাল বিলে। তাই উ সবমুখর পরিবেশে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে এলাকার তরুন-তরুনী যুবক-যুবতী সহ পেশাজীবি মৎসজীবীরা। অনেকে সারাদিন মাছ শিকার করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা র্নিবাহ করছে আবার অনেকে সখের বসেও নদীতে মাছ শিকারে নেমেছে।
র্বষার নতুন পানিতে মাছ শিকারের ধুম পড়ায় ভদ্রঘাট সহ সংলগ্ন নদী এলাকার গ্রামগুলোতে জাল তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকে। তবে মাছ ধরার প্রাচীন উপকরনের মধ্যে রয়েছে দাঁড়কী তাই র্বষায় দাঁড়কীর কদরও বেড়ে গেছে।
আগের দিনে প্রায় ভরবছর খাল বিলে পানি থাকতো তাই দাড়কীও পুরোবছর বিক্রি হতো কিন্তু র্বতমানে বছরের ৮/১০ মাসই খাল-বিলে পানি থাকে না। শুধু র্বষা মৌসুমেই খাল-বিলে নতুন পানি হলে দাড়কীর চাহিদা বাড়ে দাঁড়কীর ক্রেতা মুরাদপুর গ্রামের ওয়াহাব মিয়া জানান দেশী জাতের ছোট মাছ আগের দিনে কেহ কিনতেই চাইতো না কিন্তু র্বতমানে পুকুরে চাঁষ করা রুই-কাতলা। এতে সময় ও পরিশ্রম দুটোই কম লাগে এবং মাছও পাওয়া যায় অনেক সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় কারেন্ট জাল দিয়ে সাধারণ মানুষ পানিতে জাল পেতে জিয়ল মাছ যেমন কই শিং পুটি টাকি সহ মাছ ধরে থাকে। কারেন্ট জাল ব্যবহার সরকার বাহাদুরের নিষেধ থাকলেও তারা উপেক্ষা করে কারেন্ট জাল ব্যবহার করছে ভদ্রঘাট ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে।
কামারখন্দ উপজেলার প্রতিটি এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ জাল ব্যবহার করছে। এ জাল ব্যবহারের কারণে মা মাছ ও বংশবৃদ্ধির মাছ সহ দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরা সহ বাজারে বিক্রি করছে। সরকার যদি এ জাল ধ্বংস না করে তাহলে ক্রমানুসারে এ মাছ বিলুপ্তির পথে ধাবিত হবে