কমে গেছে পতাকা বিক্রি

0
71

ডিসেম্বরে পতাকা বিক্রির ধুম পড়ে যায়। এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি থাকায় বিজয় দিবসের অনেক অনুষ্ঠান হবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে। স্কুল কলেজও বন্ধ। তাই কমে গেছে পতাকা বিক্রি। মহামারির কারণে বিপাকে পড়েছেন পতাকা ব্যবসায়ীরা।

মহামারি করোনার থাবায় থমকে আছে বিশ্ব। করোনার কারণে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান ছোট আকারে করা হয়েছিলো। এবার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানও করা হবে সীমিত আকারে। আর এসবেরই প্রভাব পড়েছে মৌসুমি পতাকা ব্যবসায়ীদের উপর।

অন্য বছরের মতো এবার পথে-ঘাটে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না লম্বা লাঠিতে করে পতাকা বিক্রির দৃশ্য। বিক্রেতারা বললেন, প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই পতাকা বিক্রির ধুম পড়ে। তবে এ বছর বিক্রি কম।

করোনার কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান সীমিত। একই সঙ্গে বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই পতাকা কেনার আগ্রহ নেই মানুষের। বিক্রি বাড়ার কোন আশাও নেই বলে জানালেন বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা বললেন, গতবারের চেয়ে করোনার কারণে এবার পতাকা বিক্রি কম। লোকজন পতাকা কিনছে, বিক্রি হচ্ছে না। এতো বেশি কম যে আমাদের ইনভেস্ট ওঠানোই কষ্ট।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউর এই মার্কেটে অন্য বছরে কাজের চাপে দম ফেলার ফুসরত থাকতো না। এবছর পতাকা বিক্রি কম তাই কাজের চাপও নেই। অনেকে আবার পতাকা সেলাইয়ের কাজও ছেড়ে দিয়েছেন।

সেলাইয়ের কর্মীরা জানান, এবার পতাকা কাজের চাপ কম। দুই কারখানায় কাজ করতো প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন কারিগর, এবার আমি একাই কাজ করছি।

পতাকা বেশি বিক্রি হয় ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং ডিসেম্বরে। কারিগররা জানালেন, বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে যে পতাকা বানিয়েছেন তা এখনও বিক্রি হয়নি।