অবশেষে চূড়ান্ত হলো উইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরের সূচি

0
68

মার্চ ২০২০ থেকে জানুয়ারি ২০২১। জিম্বাবুয়ে টু ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মধ্যখানে ১০ মাসের বন্ধ্যত্ব। আবারো ক্রিকেটের দেশে ফিরছে ক্রিকেট।

আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না আসলেও চূড়ান্ত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরের সময়সূচি। শিডিউল অনুসারে ১০ জানুয়ারি ঢাকায় আসার কথা ক্যারিবিয়ানদের। প্রথম ম্যাচ ২০ জানুয়ারি। শেষ পর্যন্ত ১টি টেস্ট কমলে, ১ মাসের সফর শেষে, ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ছাড়বে উইন্ডিজ ক্রিকেট দল। ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান আকরাম খান জানিয়েছেন, সিরিজের সফল আয়োজনে নেয়া হয়েছে সব প্রস্তুতি।

বাংলাদেশের করোনা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে দেশে ফিরেছে উইন্ডিজের দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ক্যারিবিয়ান বোর্ড বিসিবিকে তাদের প্রতিক্রিয়া না জানালেও সিরিজ নিয়ে দিয়েছে সবুজ সংকেত। দুই বোর্ডের সম্মতিতে খসড়া সূচিও হয়েছে একটা।

শিডিউল অনুসারে ১০ জানুয়ারি ঢাকায় আসবে ক্যারিবিয়ান দল। সেদিনই হবে করোনা পরীক্ষা। ৩ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে অনুশীলন শুরু ১৩ জানুয়ারি থেকে। সব ঠিক থাকলে প্রথম ওয়ানডে ২০ জানুয়ারি। ২২ তারিখ দ্বিতীয় ওয়ানডে শেষে ২৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম যাবে দুই দল। ২৫ জানুয়ারি জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হবে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

একটি টেস্ট কমাতে বিসিবিকে অনুরোধ করেছে উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। সেটা হলে ২৯ জানুয়ারি প্রথম টেস্টের পর ৫ ফেব্রুয়ারি হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। তবে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসার কথা মঙ্গলবার।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, আমাদের সিরিজের দিনক্ষণ প্রায় চূড়ান্ত। তবে বেশ কয়েকটি বিষয়ে জটিলতা থাকায় এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানাচ্ছি না। আমরা প্রত্যাশা করছি, ১০/১২ তারিখের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল এখানে আসবে। এটা আমাদের জন্য দারুণ ইতিবাচক যে আবারো মাঠে ক্রিকেট ফিরছে।

এদিকে উইন্ডিজ সিরিজের পরপরই নিউজিল্যান্ড সফর নিয়ে বাড়বে ব্যস্ততা। যে সিরিজের জন্য ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে তাসমান সাগর পাড়ে যাবে টিম টাইগার্স। সে সফরের কথাবার্তা এগোচ্ছে ইতিবাচক পথেই।

আকরাম খান বলেন, নিউজিল্যান্ড সফরে যে আমরা যাচ্ছি সেটা নিশ্চিত। সেভাবেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি যতটা আগে সেখানে যাওয়া যায়। তাতে ওদের আবহাওয়ার সঙ্গেও কিছুটা মানিয়ে নেয়া যাবে।

এছাড়া শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে স্থগিত হওয়া সিরিজটি, আগামী বছর কোন এক সময়ে আয়োজনে লঙ্কান বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করছে বিসিবি।